আমেরিকার টাকায় ভারতে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা! প্রধানমন্ত্রী মোদীর সমর্থনে মুখ খুললেন মার্কিন শিল্পী মেরি মিলবেন

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi) বিরুদ্ধে চলা রাজনৈতিক প্রচার এবং বিক্ষোভের নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকার বড় ধাক্কা বা বিদেশি তহবিল! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনররা মোদী বিরোধিতায় মদদ জোগাতে ভারতের ‘কোকরোচ জনতা পার্টির’ (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং তাঁর দলকে মোটা অঙ্কের অর্থায়ন করছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুললেন বিখ্যাত আমেরিকান গায়িকা তথা প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভক্ত হিসেবে পরিচিত মেরি মিলবেন (Mary Millben)। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি এই বিস্ফোরক দাবি করেন।
কী বলেছেন মার্কিন গায়িকা?এক্স (আগের টুইটার) হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মেরি মিলবেন ভারতের যুবসমাজকে এই তথাকথিত ‘বিঘ্নিতকারী শক্তির’ বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর দাবি, বিশ্বজুড়ে রক্ষণশীল নেতাদের টার্গেট করার একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল রয়েছে কিছু মার্কিন ডোনরের। সেই প্যাটার্ন অনুযায়ীই আমেরিকা-শিক্ষিত ব্যক্তিদের টার্গেট করে, তাঁদের উগ্রপন্থী করে নিজেদের দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য তহবিল জোগানো হয়। हालांकि, তাঁর এই দাবির সপক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ ওই পোস্টে পেশ করা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারের প্রশংসা করে মিলবেন বলেন, যিনি আড়াই দশক ধরে জনসেবায় যুক্ত এবং টানা তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন, তিনি আমেরিকার এই সমস্ত বিঘ্নিত শক্তির কাছে কখনও মাথা নত করবেন না। পাশাপাশি, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষার্থে দেশেই জন্ম ও শিক্ষাপ্রাপ্ত তরুণদের নিয়ে একটি বিকল্প বা পাল্টা আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন তিনি।ভোটার তালিকা সংশোধন ও সিজেপি-র বিক্ষোভপ্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে সম্প্রতি সরব হয়েছে অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বাধীন ‘কোকরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। এই ইস্যুতে দিল্লির রাজপথে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সিজেপি। এমনকি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ধরপাকড়ের ঘটনাও ঘটে, যেখান থেকে পরবর্তীতে আদালত দীপক ও তাঁর দলের নেতাদের মুক্তির নির্দেশ দেয়। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সমস্ত অনিয়মের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। এই রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই মার্কিন গায়িকা মেরি মিলবেনের সিজেপি এবং অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে এই বিদেশি ফান্ডিংয়ের তাত্ত্বিক অভিযোগ তোলার ফলে ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গেছে।