‘আমায় পরিকল্পিতভাবে কিডন্যাপ করা হয়েছিল!’ পুলিশি হেফাজত থেকে ছাড়া পেয়েই বিস্ফোরক ধ্রুব রাঠি

পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পাওয়ার পরই সরাসরি অপহরণের অভিযোগ তুলে সামাজিক মাধ্যম ও জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল ফেলে দিলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠি।

বেশ কিছুদিন ধরে আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পুলিশি হেফাজতে থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। তবে থানা থেকে বেরিয়েই নিজের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন আক্রমণ শানিয়েছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তাঁর অভিযোগ, কোনও বৈধ সমন বা পূর্ব সূচনা ছাড়াই কার্যত জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে তাঁকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছিল, যা আইনি হেফাজত নয় বরং প্রশাসনের মদতে এক প্রকার ‘অপহরণ’ বা কিডন্যাপিং।

ধ্রুব রাঠির এই বিস্ফোরক মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে। তাঁর অনুগামী ও বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা বাক্‌স্বাধীনতা হরণ এবং সমালোচকদের কণ্ঠরোধ করার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলেছেন। অন্যদিকে, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার দাবি—আইন মেনেই প্রয়োজনীয় তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আটক করা হয়েছিল এবং সমস্ত অভিযোগই নিয়মমাফিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ফৌজদারি দণ্ডবিধির আওতায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে; অপহরণের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

একনজরে ধ্রুব রাঠির অভিযোগ ও পরিস্থিতির খুঁটিনাটি:

  • হেফাজত থেকে মুক্তি: দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও জিজ্ঞাসাবাদের পর্ব শেষ করে অবশেষে পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্ত জনপ্রিয় ইউটিউবার।

  • ‘কিডন্যাপিং’-এর বিস্ফোরক দাবি: বৈধ আইনি পরোয়ানা ছাড়া জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে হেনস্থা করার অভিযোগ তুলে সরব ধ্রুব।

  • তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোড়ন: মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করার অভিযোগে সরব নেটিজেন ও বিরোধীরা; অন্যদিকে তদন্তের স্বার্থে বৈধ পদক্ষেপের সাফাই পুলিশের।

মুক্তির পর এই ধরনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আসায় পুরো বিষয়টি নিয়ে আইনি সংঘাত এবার আদালত পর্যন্ত গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর রাখছে বিশেষজ্ঞ মহল।

Rick Sarkar
  • Rick Sarkar

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *