একঘেয়ে চিকেন রান্না খেয়ে ক্লান্ত? মাত্র ৫টি জাদুকরি উপকরণ মিশিয়েই বানিয়ে ফেলুন ওয়েডিং স্টাইল কষা মাংস!

সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিসের তাড়া কিংবা স্কুলগামী বাচ্চাদের টিফিন—দ্রুত কিছু বানিয়ে দেওয়ার কথা মাথায় এলে সবার আগে ভরসা জোগায় মুরগির মাংস। কিন্তু রোজের সেই একঘেয়ে পাতলা চিকেনের ঝোল বা চেনা কষা খেতে খেতে অনেকেই বোর হয়ে যান। রেস্তোরাঁ বা বড় বড় বিয়ের বাড়ির মতো সুস্বাদু এবং মাখামাখা চিকেন কষা কি বাড়িতে বানানো সম্ভব নয়? উত্তর হলো, একদমই সম্ভব। রান্নার সামান্য কিছু চেনা উপাদানে একটু বদল আনলেই আপনার সাধারণ চিকেনের স্বাদ হয়ে উঠবে একেবারে দুর্দান্ত। আজ রইল এমন ৫টি জাদুকরি উপাদানের হদিশ, যা চিকেন রান্নায় ব্যবহার করলে স্বাদ বদলে যাবে সম্পূর্ণভাবে।
১. টক দই বা ক্রিমের ব্যবহার
রান্না করার কিছুক্ষণ আগে মুরগির মাংসের মধ্যে ভালোভাবে টক দই অথবা ফ্রেশ ক্রিম মাখিয়ে রেখে দিন। টক দই কেবল মাংসের গ্রেভিকে মোলায়েম ও ঘন করতেই সাহায্য করে না, পাশাপাশি চিকেনের ভেতরের অংশ নরম ও জুসি রাখতেও দারুণ কার্যকরী। মাংস ম্যারিনেট করে রাখলে রান্নার পর তার মধ্যে আর কোনো ছিবড়ে ভাব থাকে না।
২. কসুরি মেথির জাদুকরি গন্ধ
চিকেন কষা নামানোর ঠিক আগে সামান্য একটু কসুরি মেথি হাতের তালুতে ঘষে ছড়িয়ে দিন। রেস্তোরাঁ স্টাইলের খাবারের যে সুবাস আমাদের টানে, তার নেপথ্যে রয়েছে এই কসুরি মেথি। এটি মাংসের স্বাদ ও সুগন্ধ—দুটোই পুরোপুরি বদলে দেয়।
৩. খাঁটি সরষের তেলের ঝাঁঝ
সাদা তেল বা রিফাইন্ড অয়েলের পরিবর্তে খাঁটি সরষের তেলে রান্না করুন। সরষের তেলের সুনির্দিষ্ট ঝাঁঝালো গন্ধ এবং সমৃদ্ধ স্বাদ মাংসের ঝোল বা কষাকে এক সম্পূর্ণ আলাদা ও অতুলনীয় মাত্রা যোগ করে।
৪. রান্নায় গোটা রসুনের চমক
মশলা দিয়ে মাংস কষানোর সময় তাতে কয়েকটি গোটা রসুন ফেলে দিন। মাংস রান্নার দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় ওই গোটা রসুনগুলো যখন সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে যায়, তখন মাংসের সঙ্গে সেই রসুনের কোয়া মেখে খাওয়ার মজাই আলাদা। একবার এই স্বাদ পেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে।
৫. কাজুবাদাম বাটার সমৃদ্ধ গ্রেভি
পেঁয়াজ, আদা, রসুন এবং সাধারণ গুঁড়ো মশলা দিয়ে মাংস কষানোর সময় তার মধ্যে সামান্য কাজুবাদাম বাটা মিশিয়ে দিন। এটি গ্রেভির ঘনত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি স্বাদকে করে তোলে অত্যন্ত লোভনীয় ও মাখামাখা।
আজই আপনার রান্নাঘরে এই সহজ উপায়গুলি ট্রাই করুন এবং পরিবারের সকলকে চমকে দিন রেস্তোরাঁ স্বাদের চিকেন দিয়ে।