শুভেন্দুর রেকর্ড ভেঙে চুরমার! নন্দীগ্রামে ৯০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে থেকে ঐতিহাসিক জয়ের পথে বিজেপি

ভোট প্রচারে গিয়ে নন্দীগ্রামবাসীর কাছে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৎকালীন প্রার্থীর আবদার ছিল, ২০১৬ সালে তাঁর জয়ের ব্যবধান (প্রায় ৮২ হাজার) যেন এবারের উপনির্বাচনে ছাপিয়ে যায়। কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ১১ রাউন্ডের গণনা শেষে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ ৯১ হাজার ২০৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। অর্থাৎ, ইতিমধ্যেই অতীতের সমস্ত জয়ের ব্যবধানের রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন তিনি। তবে এই বিশাল ব্যবধানে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর মাঝেই গণনাকেন্দ্রে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ভোটে কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে যান আইএসএফ প্রার্থী সবেমিরাজ আলী খান।
বিজয়ীর গলায় আত্মবিশ্বাসের সুর ও সংখ্যালঘুদের সমর্থন:
সম্পূর্ণ গণনা শেষ হওয়ার আগেই জয়ের আনন্দে আত্মহারা বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান যে, প্রথম থেকেই তাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল জয়ের ব্যবধান অতীতের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে বহুগুণ বাড়িয়ে নেওয়া। বিগত এক মাস ধরে দলের প্রতিটি কর্মী সেই লক্ষ্যেই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ভোটের ফলাফলে সাধারণ সংখ্যালঘুদের একাংশের সমর্থন পাওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। তাঁর জোরালো দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উন্নয়নের বার্তার ওপর ভরসা রেখেই সংখ্যালঘু ভোটারদের একটা বড় অংশ এবার গেরুয়া শিবিরের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।
রেজিনগরের প্রাথমিক চিত্র:
অন্যদিকে, বাংলার অপর হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র রেজিনগরেও চলছে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগণনা। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পঞ্চম রাউন্ডের গণনা শেষে বিজেপি প্রার্থী পেয়েছে ৪৮ হাজার ১০১টি ভোট। এইউজেপি (AUJP)-র প্রাপ্ত ভোট ১২,৮০০ এবং কংগ্রেস প্রার্থীর ঝুলিতে গিয়েছে মাত্র ২,৩৮০টি ভোট। সব মিলিয়ে দুই কেন্দ্রেই উপনির্বাচনের ফলাফলে গেরুয়া ঝড়ের দাপট স্পষ্ট।