Recipe: দিদা-ঠাকুমার হাতের কুমড়োর ছেঁচকি রান্নার গোপন ট্রিক! শিখেনিন রান্নার পদ্ধতি

কুমড়ো অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি সবজি। আর এই সবজি দিয়ে বাঙালি হেঁশেলে নানা সুস্বাদু পদ তৈরি হয়। তবে তার মধ্যে অন্যতম একটি ক্লাসিক পদ হলো কুমড়োর ছেঁচকি। বহু যুগ ধরে বাংলার রান্নাঘরে এই পদটি তৈরি হয়ে আসছে। দিদা-ঠাকুমার হাতের সেই ট্রেডিশনাল কুমড়োর ছেঁচকির স্বাদ আজও অনেকের মুখে লেগে রয়েছে। কিন্তু ব্যস্ততার যুগে অনেকেই এই পুরনো রান্নাটি ভুলতে বসেছেন। আপনিও যদি সেই নস্ট্যালজিক স্বাদ ফিরে পেতে চান, তবে ঝটপট জেনে নিন দিদা-ঠাকুমার স্টাইলে নিখুঁত কুমড়োর ছেঁচকি বানানোর সহজ রেসিপি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
-
মিষ্টি কুমড়ো: ৫০০ গ্রাম (ভালো করে ধোয়া ও কিউব করে কাটা)
-
ফোড়নের জন্য: আধ চা চামচ কালো জিরে বা পাঁচফোড়ন, ১টি শুকনো লঙ্কা এবং ২-৩টি চেরা কাঁচা লঙ্কা
-
মশলা ও স্বাদমতো: আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, স্বাদমতো নুন ও চিনি
-
তেল ও জল: ২ টেবিল চামচ সর্ষের তেল এবং সামান্য জল
রান্নার সহজ পদ্ধতি:
১. সবার প্রথমে কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করুন। তেল সামান্য গরম হলে তাতে শুকনো লঙ্কা এবং কালো জিরে বা পাঁচফোড়ন ফোড়ন দিন।
২. কিছুক্ষণের মধ্যেই ফোড়ন থেকে সুন্দর গন্ধ বেরোলে তাতে চেরা কাঁচা লঙ্কা ও কেটে রাখা কুমড়ো দিয়ে দিন।
৩. এবার গ্যাসের আঁচ মাঝারি রেখে কুমড়োগুলো কিছুক্ষণ তেলের সঙ্গে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন।
৪. এরপর পরিমাণমতো হলুদ গুঁড়ো ও নুন দিয়ে সমস্ত উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
৫. কড়াই ঢাকা দিয়ে কুমড়ো সেদ্ধ হতে দিন। কুমড়ো থেকে প্রাকৃতিকভাবেই জল বেরিয়ে তা নরম হয়ে যাবে। আলাদা করে অতিরিক্ত জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
৬. কুমড়ো পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে গেলে এবং জল শুকিয়ে এলে সামান্য চিনি ছড়িয়ে দিন। এটি রান্নার স্বাদ আরও বাড়িয়ে দেবে।
৭. এবার ভালো করে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ও ঘরোয়া কুমড়োর ছেঁচকি! গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে এটি জাস্ট জমে যাবে।