হাতে মোটা বেতন, শূন্যপদ ২৫০টি! সুপ্রিম কোর্টে বিশাল পদে চাকরির বাম্পার সুযোগ, আজই জানুন আবেদনের খুঁটিনাটি

দেশের সর্বোচ্চ আদালতে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ। সুপ্রিম কোর্টের তরফে জুনিয়র কোর্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (Junior Court Assistant) পদে মোট ২৫০টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই পদগুলির জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৭ই অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে এবং আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬, রাত ১১:৫৫ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

বেতন ও পদের বিবরণ
এই নিয়োগটি একটি গ্রুপ ‘বি’ নন-গেজেটেড পদের জন্য। জুনিয়র কোর্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট পদটি পে ম্যাট্রিক্সের লেভেল ৬-এর অন্তর্ভুক্ত। এর প্রাথমিক মূল বেতন প্রতি মাসে ৩৫,৪০০ টাকা, সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য ভাতাও প্রযোজ্য। সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই পদগুলি বর্তমানে অস্থায়ী প্রকৃতির এবং প্রশাসনিক প্রয়োজন বা রেজিস্ট্রির ওপর নির্ভর করে পদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সসীমা
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতের নাগরিক হতে হবে এবং যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো শাখায় স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। এর পাশাপাশি, কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা এবং প্রতি মিনিটে অন্তত ৩৫ শব্দের টাইপিং স্পিড থাকা আবশ্যক।

বয়সসীমা: ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখের হিসেবে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসসি, এসটি, ওবিসি-এনসিএল, প্রতিবন্ধী এবং প্রাক্তন সৈনিক প্রার্থীরা বয়সের ছাড় পাবেন। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নির্ভরশীলদের জন্য অতিরিক্ত ৫ বছরের ছাড়ের সংস্থান রয়েছে।

আবেদন ফি কত?
সাধারণ এবং ওবিসি (OBC) প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১,৫০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। অন্যদিকে, এসসি, এসটি, ওবিসি-এনসিএল, প্রাক্তন সৈনিক এবং প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য ফি মাত্র ৭৫০ টাকা। ব্যাংক চার্জ প্রযোজ্য এবং এই ফি শুধুমাত্র ইউকো ব্যাংকের (UCO Bank) পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমেই অনলাইনে পরিশোধ করা যাবে।

৪-পর্যায়ের নির্বাচন প্রক্রিয়া
এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের মোট চারটি কঠিন ধাপ পার করতে হবে:
১. নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা (Objective Test): ১০০টি প্রশ্নের ওপর ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এতে ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান, কম্পিউটার জ্ঞান, ভারতীয় সংবিধান এবং সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধিমালা থেকে প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর নেগেটিভ মার্কিং রয়েছে। ন্যূনতম ৫০ নম্বর পেলে তবেই প্রার্থীরা পরবর্তী ধাপের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
২. কম্পিউটার টাইপিং টেস্ট: কম্পিউটার-ভিত্তিক গতি পরীক্ষা।
৩. বর্ণনামূলক লিখিত পরীক্ষা: ইংরেজিতে বর্ণনামূলক পরীক্ষা দিতে হবে।
৪. সাক্ষাৎকার (Interview): সমস্ত ধাপ সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার পর ফাইনাল ইন্টারভিউ অনুষ্ঠিত হবে।

আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অফিশিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন সেরে ফেলতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *