চলুন চা খেয়ে আসবেন! ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকেকে আটকের পর যা হল

আজ ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীতে দেশজুড়ে এক বড়সড় প্রতিবাদের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। তার ঠিক আগে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভ চত্বর থেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে সাময়িকভাবে আটক করার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
মেরিন ড্রাইভে ঠিক কী ঘটেছিল?
পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা নাগাদ মেরিন ড্রাইভে বেশ কিছু সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে প্লাকার্ড হাতে জড়ো হয়েছিলেন অভিজিৎ দীপকে। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে এসে পৌঁছয় মুম্বই পুলিশের একটি বিশেষ দল। এরপর পুলিশ ভ্যানে করে তাঁকে সোজা থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। যদিও পুলিশের তরফে দীপকেকে আটকের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, এই ঘটনার পর নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে অভিজিৎ দীপকে দাবি করেন, এক মহিলা পুলিশ আধিকারিক তাঁকে অত্যন্ত ভদ্রভাবে ‘এক কাপ চা খাওয়ার আমন্ত্রণ’ জানিয়ে সঙ্গে যেতে বলেন। কিন্তু থানায় পৌঁছানোর পর তাঁকে কোনো চা তো দেওয়ােই হয়নি, বরং এই সমস্ত কাণ্ডকারখানার মূল উদ্দেশ্য ছিল তাঁর বহুমূল্য সময় নষ্ট করা এবং আন্দোলনের প্রস্তুতি ব্যাহত করা। থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর দীপকে সোজা চেম্বুরের আম্বেদকর হস্টেলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেই ছবি নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন।
আন্দোলন ঘিরে তুঙ্গে তরজা
মূলত এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ গান্ধী জয়ন্তীতে সিজেপি-র এই প্রস্তাবিত আন্দোলনের কর্মসূচি রয়েছে। তবে মুম্বই পুলিশ এই আন্দোলনের জন্য কোনো অনুমতি দেয়নি। শিবাজী পার্কে জমায়েতের ওপর কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, পুরসভার অনুমতি না থাকায় এবং সাধারণ মানুষের জরুরি পরিষেবার যাতায়াতে ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কা থাকায় এই জমায়েতের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। সবমিলিয়ে, আজকের প্রতিবাদ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী থেকে বাণিজ্যনগরী—সর্বত্রই চরম রাজনৈতিক পারদ চড়েছে।