অম্বানির কোন গোপন ব্যবসায় লুকিয়ে আসল সোনা? রিলায়েন্সকে নিয়ে এল বিরাট ভবিষ্যদ্বাণী!

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ (RIL)-এর জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকের আর্থিক ফলাফল প্রকাশের আগেই বড়সড় পূর্বাভাস সামনে এনেছে স্বনামধন্য ব্রোকারেজ ফার্ম নুভামা রিসার্চ। কোম্পানির ত্রৈমাসিক ফলাফলে দুর্দান্ত উন্নতির ইঙ্গিত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, রিফাইনিং মার্জিনের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে রিলায়েন্সের এবিট এবং মুনাফায় বড়সড় উল্লম্ফন দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে কোম্পানির অয়েল-টু-কেমিক্যালের পাশাপাশি আগামী দিনে তাদের নতুন জ্বালানি বা ‘নিউ এনার্জি’ ব্যবসা কীভাবে ভাগ্য বদলাবে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে।
মুনাফায় জোরালো উল্লম্ফনের সম্ভাবনা
নুভামার অনুমান অনুযায়ী, এই ত্রৈমাসিকে রিলায়েন্সের কনসোলিডেটেড এবিট বার্ষিক ভিত্তিতে ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৫৩,৭০০ কোটি টাকা এবং নিট মুনাফা ১৫ শতাংশ বেড়ে ২০,৯০০ কোটি টাকায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে। এর পেছনে মূলত গ্যাসঅয়েল ও এভিয়েশন টার্বাইন ফুয়েলের চাঙ্গা ক্র্যাক মার্জিন এবং রিফাইনিং সেক্টরের দারুণ পারফরম্যান্স বড় ভূমিকা পালন করবে। শুধু তাই নয়, O2C বা তেল থেকে রাসায়নিক বিভাগটির এবিট প্রায় ৩৮ শতাংশ লাফিয়ে ২০,৭০০ কোটি টাকা ছুঁতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
গেমচেঞ্জার হতে চলেছে ‘নিউ এনার্জি’ প্রজেক্ট
তবে শুধু বর্তমান রিফাইনিং নয়, ভবিষ্যতে রিলায়েন্সের আসল সম্পদ হতে চলেছে তাদের নতুন শক্তি বা ‘নিউ এনার্জি’ ব্যবসা। সৌরশক্তি উৎপাদন, ব্যাটারি, গ্রিন হাইড্রোজেন এবং রিনুয়েবল পাওয়ারের মতো ক্ষেত্রগুলিতে মুকেশ আম্বানির বিশাল বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানির চেহারা সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। ব্রোকারেজ ফার্মের হিসেব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এই নিউ এনার্জি বিভাগটি একাই প্রায় ২০,১০০ কোটি টাকার এবিট অর্জনে সক্ষম হবে, যা কোম্পানির মোট লাভের প্রায় ৭ থেকে ৮ শতাংশ দখল করবে। এই সমস্ত ইতিবাচক দিক বিচার করেই নুভামা রিলায়েন্সের শেয়ারের ওপর তাদের ‘বাই’ (Buy) বা কেনার রেটিং বজায় রেখেছে এবং এর টার্গেট প্রাইস ১,৭৬৬ টাকা নির্ধারণ করেছে।