৯ অক্টোবরের পরেই কি ছাঁটাই? বিকাশ ভবনের সামনে রাতভর ধুন্ধুমার কাণ্ড, রাজ্য সরকারের ওপর চরম ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা!

সরকারের পক্ষ থেকে চাকরি হারানোর কোনো আশঙ্কা নেই বলে আশ্বাস দেওয়া হলেও মন গলল না আন্দোলনকারীদের। চাকরি স্থায়ীকরণের সুনির্দিষ্ট দাবিতে বিকাশ ভবনের সামনে টানা অবস্থানে বসে রইলেন হাজার হাজার কম্পিউটার শিক্ষক। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁরা পথ ছাড়তে নারাজ। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, যতক্ষণ না এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত ও সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হচ্ছে, ততক্ষণ তাঁদের এই আন্দোলন চলবে।
কী কারণে এই বিক্ষোভ?
আন্দোলনরত শিক্ষকদের ক্ষোভের মূল কারণ—যে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে তাঁদের নিয়োগ করা হয়েছিল, সেই সংস্থার সঙ্গে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ফুরোচ্ছে আগামী ৯ অক্টোবর। এরপর নতুন করে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হলে তাঁদের চাকরি থাকবে কি না, তা নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মূলত এই আশঙ্কাই তাঁদের রাজপথে নামতে বাধ্য করেছে।
তবে শুধুমাত্র চাকরি হারানোর ভয় নয়, এই আন্দোলনের নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের নীতিগত দাবিও। আন্দোলনকারী শিক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, এর আগে প্রথম পাঁচটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার শিক্ষকদের সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির আওতাভুক্ত করা হয়েছে এবং তাঁদের সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি এজেন্সির বেড়াজাল থেকে মুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ে নিযুক্ত ৩ হাজার ৭১৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাও ঠিক একই রকম সরকারি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছেন। এদিনের এই বিক্ষোভ ও রাতভর অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিকাশ ভবন চত্বরে চরম রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।