পুজোর আগে পার্লারের মতো পারফেক্ট ওয়াক্সিং চান? রইল ত্বক মসৃণ রাখার দারুণ কিছু ঘরোয়া টিপস

ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম তুলতে ওয়াক্সিং করা এখন অত্যন্ত সাধারণ বিষয়। তবে ওয়াক্সিংয়ের পর অনেকেরই ত্বকে ছোট ছোট লাল দানা, জ্বালাপোড়া বা চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারীদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি বেশি ভোগায়। ওয়াক্সিংয়ের সময় লোম একেবারে গোড়া থেকে তুলে ফেলার কারণে ত্বক ও লোমকূপে সাময়িক প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। তবে কিছু সাধারণ ঘরোয়া পদ্ধতি এবং সঠিক সতর্কতা মেনে চললে এই সমস্যা সহজেই এড়ানো সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়াক্সিংয়ের পরপরই ঠান্ডা সেঁক দেওয়া ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। একটি পরিষ্কার কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে আলতোভাবে কয়েক মিনিট ঠান্ডা সেঁক দিলে ত্বক শীতল থাকে এবং লালচে ভাব দূর হয়। তবে সরাসরি ত্বকে বরফ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এর পাশাপাশি বিশুদ্ধ ও সুগন্ধি-মুক্ত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ত্বক প্রশমিত হয় এবং শুষ্কতা দূর হয়। তবে যেকোনো নতুন পণ্য ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট একটি অংশে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া জরুরি।

ওয়াক্সিংয়ের ঠিক পরপরই কিছু বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। যেমন, এই সময় আঁটসাঁট পোশাক পরা এড়িয়ে ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক পরা উচিত, যাতে ত্বকে ঘর্ষণ না লাগে। এছাড়া বারবার সংবেদনশীল স্থান স্পর্শ করা, সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রাব করা বা পারফিউম ও কড়া রাসায়নিকযুক্ত পণ্য ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। নারকেল তেল সব ত্বকের জন্য উপযোগী না হওয়ায় তৈলাক্ত ত্বকে তা ব্যবহার না করাই ভালো। ওয়াক্সিংয়ের পর কোনো গুরুতর সমস্যা দেখা দিলে বা তীব্র ব্যথা হলে অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *