পেলে-মারাদোনা থেকে নাতিপুতি পর্যন্ত ফুটবলের রাজবংশ! কলকাতায় আসার আগে বিস্ফোরক দাবি দিয়েগোর বাবার

আগামী ৬ অক্টোবর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত ও উরুগুয়ে। কোচ দিয়েগো ফরলানের নেতৃত্বে লা সেলেস্তেরা যে শক্তিশালী দল নিয়ে ভারতে আসছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। ভারতীয় সমর্থকদের কাছে দিয়েগো পরিচিত হলেও তাঁর রক্তেই রয়েছে ফুটবলের পৈতৃক ইতিহাস—তাঁর বাবা পাবলো ফরলান। উরুগুয়ের জার্সিতে বিশ্বকাপ খেলা এই প্রাক্তন ডিফেন্ডার এবার ভারত-উরুগুয়ে দ্বৈরথের আবহে আজকাল ডট ইনের মুখোমুখি হয়ে স্মৃতিচারণ করলেন ফুটবল রোমাঞ্চের।

অচেনা কলকাতা ও ছেলের প্রতি ভালোবাসা

কখনও কলকাতায় আসার সুযোগ না হলেও, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীরা তাঁর ছেলেকে যেভাবে মাথায় করে রেখেছেন, তা নিয়ে অকপটে নিজের আবেগের কথা জানিয়েছেন পাবলো। তাঁর কথায়, দিয়েগো কেবল তাঁর ছেলেই নয়, অত্যন্ত বিনয়ী এবং সহজে ভালোবেসে ফেলার মতো একজন মানুষ। সুদূর উরুগুয়ে থেকে কলকাতায় ছেলের এমন ইজ্জত ও ভালোবাসা দেখে তিনি ও তাঁর পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত।

পেলে, মারাদোনা ও পারিবারিক ফুটবল উত্তরাধিকার

সাক্ষাৎকারে পাবলো তুলে ধরেছেন তাঁর বর্ণময় কেরিয়ারের নানা দিক। ১৯৬৬ ও ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপ খেলা এই ডিফেন্ডার স্মরণ করেছেন জোহান ক্রুয়েফের সেই দুর্দান্ত ডাচ দলটিকে। পেলে ও মারাদোনার বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি জানান, মারাদোনার জমানায় ফুটবল খেলা অনেক বেশি কঠিন ছিল। তবে পেলের হেডার এবং মারাদোনার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে তিনি মারাদোনার পক্ষেই কিছুটা বেশি ঝুঁকেছেন। একই সঙ্গে, তাঁদের তিন প্রজন্মের ফুটবলীয় ঐতিহ্য—শ্বশুর জুয়ান কার্লোস কোরাজো থেকে শুরু করে নিজে এবং ছেলে দিয়েগোর ট্রফি জয়ের অবিশ্বাস্য ইতিহাস তুলে ধরে বিশ্ব ফুটবলের এক সোনালী অধ্যায়কে উসকে দিয়েছেন এই লিজেন্ড।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *