ডাক্তার না হয়েও ৮৬১ কোটির জালিয়াতি! মার্কিন মুলুকে বিশাল কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে কোথায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে এই অভিযুক্ত?

আমেরিকান প্রিমিয়ার ল্যাবস নামের একটি ল্যাবরেটরি থেকে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৮৬১ কোটি টাকা) বা তারও বেশি মোটা অঙ্কের জালিয়াতির অভিযোগ উঠল। টেক্সাসের বাসিন্দা মহম্মদ, যিনি ওই ল্যাবেরই মালিক ছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধেই এই বিশাল অঙ্কের কেলেঙ্কারির অভিযোগ এনেছে মার্কিন প্রশাসন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে কার্যত হুলুস্থুল পড়ে গিয়েছে।
কীভাবে চলত এই জালিয়াতি চক্র?
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি নিয়মনীতি পুরোপুরি শিকেয় তুলে চিকিৎসকদের নাম ভাঁড়িয়ে তাঁদের ব্যক্তিগত পরিচয় ব্যবহার করতেন অভিযুক্ত মহম্মদ। এমনকি ভুয়ো চিকিৎসা এবং প্রয়োজনহীন ডিএনএ পরীক্ষার জাল বিল তৈরি করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছিল। এই ফাঁদে পা দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প ‘মেডিকেয়ার’ থেকে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি ডলারের বেশি অর্থ সরাসরি চলে যায় অভিযুক্তের ল্যাবের অ্যাকাউন্টে।
ভারতে লুকিয়ে থাকার অনুমান
বর্তমানে এই আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্রের মূল হোতা মহম্মদকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করেছে মার্কিন প্রশাসন। এফবিআই এবং মার্কিন স্বাস্থ্য দপ্তর যৌথভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে। তদন্তকারীদের জোরালো অনুমান, অভিযুক্ত মহম্মদ মার্কিন মুলুক থেকে পালিয়ে আপাতত ভারতে এসে আত্মগোপন করে রয়েছেন। যদিও তিনি ঠিক ভারতের কোন প্রান্তে লুকিয়ে রয়েছেন, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য মেলেনি। তাঁর খোঁজে তল্লাশি জারি রয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্তকারীরা অভিযুক্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৬০ লক্ষ ডলার বাজেয়াপ্ত করেছেন।