দোকানের ভিড় ঠেলতে হবে না! গণেশ চতুর্থীতে ঘরেই বানান বাজারচলতি মোতিচুর লাড্ডু, রইল সহজ রেসিপি

আজ পবিত্র গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহন্তা গণেশের আরাধনায় মেতে উঠেছে গোটা দেশ। সিদ্ধিদাতাকে খুশি করতে সাধ্যমতো লাড্ডু, মোদক ও হরেক রকমের সুস্বাদু ভোগ সাজিয়ে দিচ্ছেন ভক্তরা। তবে পুজোর দিনগুলোতে মিষ্টির দোকানে দীর্ঘ লাইন দিয়ে বা চড়া দামে মিষ্টি কেনার ঝক্কি এড়াতে অনেকেই এখন ঘরোয়া পদ্ধতিতে ভরসা রাখেন। কারণ, দোকানের কেনা মিষ্টির চেয়ে বাড়িতে নিজ হাতে বানিয়ে দেওয়া ভোগের লাড্ডুর আনন্দ এবং পবিত্রতা সম্পূর্ণ আলাদা। আর তাই গণেশ চতুর্থীর বিশেষ দিনে ঘরেই কীভাবে খুব সহজে বানিয়ে ফেলবেন জিভে জল আনা মোতিচুর লাড্ডু, জেনে নিন তার সুস্বাদু ও সহজ রেসিপি।

মোতিচুর লাড্ডুর উপকরণ:
বেসন: ১ কাপ

জল: ১ কাপের সামান্য কম

চিনি: দেড় কাপ

জল (সিরার জন্য): ৩/৪ কাপ

ছোট এলাচ গুঁড়ো: আধ চা চামচ

খাবার লাল বা কমলা রং: ১-২ ফোঁটা (ঐচ্ছিক)

কাজুবাদাম ও পেস্তাবাদাম কুচি: সামান্য পরিমাণ

মোতিচুর লাড্ডুর সহজ প্রণালী:
১. ব্যাটার তৈরি: প্রথমে একটি পরিষ্কার পাত্রে পরিমাণমতো বেসন ও সামান্য জল একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মসৃণ ও সমসত্ত্ব ব্যাটার তৈরি করে নিন। এই পর্যায়ে চাইলে ব্যাটারের সঙ্গে এক ফোঁটা ফুড কালার মিশিয়ে নিতে পারেন।

২. চিনির সিরা প্রস্তুত: এবার একটি কড়াইতে প্রয়োজনীয় চিনি ও জল একসঙ্গে ফুটিয়ে চটচটে বা এক তারের সিরা তৈরি করে নিন। সিরার মধ্যে সামান্য এলাচ গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন, যাতে সুন্দর গন্ধ বের হয়।

৩. বোঁদে ভাজা: অন্য একটি কড়াইতে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল বা ঘি ভালো করে গরম করুন। এরপর গরম তেলের ঠিক ওপরে একটি ছোট ছিদ্রেযুক্ত ঝাঁঝরি হাতা ধরে তার ওপর এক হাতা বেসনের গোলা ঢেলে দিন। খুন্তি বা হাতল দিয়ে হালকা করে নাড়লেই সুন্দর ছোট ছোট ফোঁটার আকারে বোঁদেগুলি তেলের মধ্যে ঝরে পড়বে এবং সোনালি রঙে ভাজা হয়ে যাবে। খেয়াল রাখবেন, বোঁদেগুলি যেন খুব বেশি কড়া বা শক্ত করে ভাজা না হয়।

৪. সিরায় ডোবানো ও লাড্ডু পাকানো: ভাজা গরম বোঁদেগুলি সরাসরি চিনির সিরায় ফেলে দিন এবং কড়াইয়ের ঢাকনা বন্ধ করে কিছু সময় রেখে দিন। বোঁদেগুলো সুস্বাদু রস শুষে নিয়ে পুরোপুরি নরম হয়ে যাবে। এরপর হাতের তালুতে সামান্য ঘি মাখিয়ে ওই রসালো বোঁদেগুলি অল্প অল্প করে হাতে নিয়ে গোল পাকিয়ে লাড্ডুর আকার দিন। সবশেষে ওপর থেকে সামান্য কাজু ও পেস্তাবাদাম কুচি ছড়িয়ে দিলেই একেবারে তৈরি সুস্বাদু ও ঘরোয়া ‘মোতিচুর লাড্ডু’।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *