সত্যিই কি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন রাজ-শুভশ্রী? ছেলের জন্মদিনে সব জল্পনা উড়িয়ে যা করলেন পরিচালক!

বেশ কিছুদিন ধরেই টলিপাড়ায় কান পাতলে শোনা যাচ্ছিল ফিসফাস। টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা দম্পতি রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের সম্পর্কে নাকি দূরত্ব তৈরি হয়েছে! আর এই বিচ্ছেদের গুঞ্জন চাউর হতেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন ‘রাজশ্রী’ জুটির অনুরাগীরা। তবে সমস্ত জল্পনা-কল্পনায় জল ঢেলে একেবারে নিখুঁত পারিবারিক মুহূর্ত উপহার দিলেন এই তারকা জুটি। বড় ছেলে ইউভানের জন্মদিনে একের পর এক আবেগঘন ছবি ও বার্তা শেয়ার করে তাঁরা বুঝিয়ে দিলেন, সম্পর্কে ফাটল ধরার সমস্ত গুঞ্জন নেহাতই ভিত্তিহীন।
দেখতে দেখতে জীবনের ছয়টি বসন্ত পার করে ফেলল রাজ-শুভশ্রীর প্রথম সন্তান ইউভান। শনিবার ঘটা করে ছেলের জন্মদিন উদযাপন করছেন তারকা দম্পতি। বিশেষ এই দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক সুন্দর মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেছেন তাঁরা। এর মধ্যে একটি ছবিতে সুইমিং পুলে বাবা-মায়ের মাঝে খোশমেজাজে দেখা যাচ্ছে ছোট্ট ইউভানকে। অন্য একটি ছবিতে আবার ছেলের গালে স্নেহের চুম্বন এঁকে দিচ্ছেন মা শুভশ্রী। তবে জন্মদিনের এই ছবির থেকেও নেটপাড়ার নজর কেড়েছে রাজ ও শুভশ্রীর একে অপরের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
ছেলের জন্মদিনের পাশাপাশি স্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে পরিচালক রাজ চক্রবর্তী লিখেছেন, ইউভানের জন্মের পর থেকেই একজন মা হিসেবে শুভশ্রীরও যেন এক নতুন জন্ম হয়েছে। দুই সন্তানকে হাসিমুখে সামলানোর পাশাপাশি গোটা পরিবারকে যেভাবে এক সুতোয় বেঁধে রেখেছেন তিনি, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। শুভশ্রীর এই রূপ তাঁকে প্রতিদিন নতুন করে স্ত্রীর প্রেমে পড়তে বাধ্য করে বলে জানান পরিচালক।
অন্যদিকে, ইউভানের ছোটবেলার নানা না-দেখা মুহূর্তের কোলাজ নিয়ে একটি মিষ্টি ভিডিও শেয়ার করেছেন শুভশ্রী। ছেলের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তায় তিনি লিখেছেন, খুব অল্প বয়সেই ইউভান তাঁর হৃদয় এমন এক গভীর ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছে, যার অস্তিত্ব তিনি আগে কখনও জানতেন না। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে ছেলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।
২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর করোনাকালের কঠিন পরিস্থিতিতে জন্ম হয়েছিল ইউভানের। আজ সে বড় দাদার দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি ছোট বোন ইয়ালিনীর সঙ্গে তার মিষ্টি খুনসুটিতে মেতে থাকে। মা-বাবার মতোই খুদে ইউভানের জনপ্রিয়তাও আকাশছোঁয়া। তবে জন্মদিনের এই পারিবারিক উদযাপনের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই বিচ্ছেদের সমস্ত কালো মেঘ কেটে গেছে, আর তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অনুরাগীরা।