‘কেউ জয়িতাকে টার্গেট করবে না!’ সবার সামনে এ কী অদ্ভুত আবদার তুললেন হ্যান্ডসাম হাঙ্ক?

বিগ বসের ঘরে পা রাখা মাত্রই উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছেন শিলিগুড়ির তারকা রাজবীর দে। শুরু থেকেই তাঁকে সৃজলা কিংবা আলেকজান্দ্রিয়ার সঙ্গে খুনসুটি করতে দেখা গেলেও, বর্তমান পরিস্থিতি বলছে অন্য কথা। ঘরের ভেতরে জয়িতার প্রতি তাঁর দুর্বলতা এখন স্পষ্ট। দুর্নিবারের সঙ্গে জয়িতার ঝামেলা হোক কিংবা অন্য কোনো সমস্যা, ঢাল হয়ে সবার আগে সামনে এসে দাঁড়াচ্ছেন রাজবীর। যা নিয়ে দর্শকদের মনে ইতিমধ্যেই দানা বেঁধেছে নানা প্রশ্ন—এটি কি সত্যি মনের টান, নাকি ট্রফি জেতার কোনো সুদূর প্রসারী ছক?
সম্প্রতি মনামী ঘোষের বিছানা দখল করাকে কেন্দ্র করে বিগ বসের ঘরে তৈরি হয় তুলকালাম পরিস্থিতি। মনামীর আগে থেকে নির্ধারিত সিঙ্গেল খাটটি জোর করে দখল করে নেন রাজবীর। শুরু হয় তুমুল চেঁচামেচি ও অশান্তি। কিন্তু এর পরেই আসে সেই চমকপ্রদ মুহূর্ত। খাট ছাড়ার শর্ত হিসেবে রাজবীর ঘরের বাকিদের সামনে এমন এক দাবি রাখেন, যা শুনে সবাই অবাক হয়ে যান। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ঘরের অন্য প্রতিযোগীরা যদি কথা দেন যে কেউ আর জয়িতাকে টার্গেট করবেন না, তবেই তিনি ওই বিছানা ছাড়বেন। সবার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে একজন সহপ্রতিযোগীর পাশে এভাবে বুক চিতিয়ে লড়ার দৃশ্য দেখে বেজায় খুশি হন জয়িতাও। এখানেই শেষ নয়, রাজবীর নাকি গোপনে জয়িতাকে কথা দিয়েছেন যে তিনি ক্যাপ্টেন্সির চাবি হাতে পেলে তা সোজা তুলে দেবেন তাঁরই হাতে।
অন্যদিকে, ঘরের বাকি সদস্যদের সঙ্গে রাজবীরের এই আচরণ ও সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। ক্যাপ্টেন্সি টাস্কে গ্রামের মোড়ল সেজে নিজের ইচ্ছেমতো নিয়ম চালানোর চেষ্টা করতেই তনুশ্রী ও নিরঞ্জনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রতিযোগীদের ‘ভেড়া’ এবং ‘চাঙ্গি মুঙ্গির দল’ বলে কটাক্ষ করায় আসরে নামেন প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস ও সায়ক। তবে ঘরে যতই অশান্তি বাড়ুক, ঘরের ভেতরের এই রকমারি ড্রামা দারুণ উপভোগ করছেন দর্শকরা। অনেকেই মনে করছেন, সাজানো গোছানো শান্ত পরিবেশ ভেঙে আসল গেমপ্ল্যান এবং লড়াইয়ের মেজাজ ফিরিয়ে এনেছেন রাজবীরই। এখন দেখার, জয়িতার প্রতি এই বিশেষ টান কি শুধুই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ, নাকি খেলা ঘোরানোর চতুর কৌশল!