ভোটে দাঁড়ানো নিয়ে জল্পনা শেষ! বিজেপিতে যোগ দিয়েই এবার কোন বড় লড়াইয়ে নামছেন লিয়েন্ডার পেজ?

বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই লিয়েন্ডার পেজকে (Leander Paes) নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা চলছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন, তিনি হয়তো সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রার্থী হবেন। যদিও সেসময়ে তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি এবং ভোট মিটতেই মন্ত্রী হওয়া নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার অন্য পথে নির্বাচনে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছেন এই অলিম্পিক পদকজয়ী টেনিস তারকা। তবে বিধানসভা ভোটে নয়, সরাসরি দেশের শীর্ষ টেনিস প্রশাসনের নির্বাচনে লড়তে চলেছেন তিনি।
সর্বভারতীয় টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদে নজর
চলতি বছরের মার্চের শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এবং বঙ্গ বিজেপির তৎকালীন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন লিয়েন্ডার পেজ। তার আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছিল। বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারের ময়দানেও তাঁকে দেখা গিয়েছিল।
তবে রাজনৈতিক গুঞ্জন ছাপিয়ে এবার ক্রীড়া প্রশাসনেই নিজের মুন্সিয়ানা দেখাতে চলেছেন তিনি। গত বছর বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সভাপতি হয়েছিলেন লিয়েন্ডার। এবার তাঁর মূল লক্ষ্য অল ইন্ডিয়া টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের (AITA) সভাপতি পদ। জানা গিয়েছে, এই নির্বাচনে তাঁর বিরুদ্ধে লড়তে পারেন রোহিত রাজপাল। ইতিমধ্যেই ‘স্পোর্টস পার্সন অফ আউটস্ট্যান্ডিং মেরিট’ রোস্টারে নাম তোলার জন্য আবেদন করেছেন লিয়েন্ডার। এরপর বঙ্গ টেনিস সংস্থার তরফে সর্বভারতীয় সংস্থার সভাপতি পদের জন্য তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব করা হয়েছে।
মিশন অলিম্পিক ২০৩৬ ও বড় দায়িত্বের সম্ভাবনা
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, লিয়েন্ডার পেজকে বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই ক্রীড়া প্রশাসনের বড় কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজন করতে চাইছে ভারত। সেই লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছে ‘মিশন অলিম্পিক ২০৩৬’, যেখানে আগামী দশ বছরে ভারতের অন্তত একশোটি পদক জেতার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। সেই মেগা মিশনে ভবিষ্যতে লিয়েন্ডারকে আরও বড় দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলেও জোর গুঞ্জন রয়েছে। তবে তার আগে দেশের টেনিস সংস্থার মসনদ দখল করতে বড় লড়াইয়ে নামছেন এই কিংবদন্তি খেলোয়াড়।