৬৪ বছরের নিখাদ বিশ্বাস আর আস্থার প্রতীক! আরও এক নতুন মাইলফলক ছুঁল মার্গদর্শী, খুলল ১৩৫তম শাখা!

বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে আস্থার অপর নাম ‘মার্গদর্শী’ (Margadarsi)। দেশজুড়ে মানুষের দীর্ঘদিনের ভরসা ও ভালোবাসাকে সঙ্গী করে আরও এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল এই স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। সোমবার অন্ধ্রপ্রদেশের NTR জেলার জগগ্যাপেট শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে মার্গদর্শীর ১৩৫তম শাখার উদ্বোধন করলেন সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর শৈলজা কিরণ।

জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

এদিনের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহরের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং পুরনো গ্রাহকরা। পুজো-অর্চনার মাধ্যমেই নতুন শাখার পথচলা শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষ্ণা ডিস্ট্রিক্ট কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চেয়ারম্যান নেট্টেম শ্রীরঘুরামের স্ত্রী স্বর্ণা প্রথম ‘চিট’টি জমা দেন। এরপর সংস্থার এমডি শৈলজা কিরণ তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে রসিদ তুলে দেন। নতুন এই শাখা খোলায় উচ্ছ্বসিত স্থানীয় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও।

কী বললেন এমডি শৈলজা কিরণ?

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্গদর্শীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শৈলজা কিরণ বলেন, “মার্গদর্শীর সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যেকেই যেন জীবনে উঁচুতে পৌঁছাতে পারেন, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” তিনি আরও জানান, জগগ্যাপেটের বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিজয়ওয়াড়া শাখার সদস্য ছিলেন। গ্রাহকদের সেই গভীর আস্থাই আজ সংস্থাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। ৬৪ বছর ধরে মার্গদর্শীর স্থিতিশীলতা ও সামর্থ্যের ওপর সাধারণ মানুষ যে ভরসা রেখে চলেছেন, তার জন্যই এই নিরন্তর অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

গ্রাহকদের ভরসা ও দীর্ঘদিনের ইতিহাস

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত বহু পুরনো গ্রাহক তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। ১৯৭১ সাল থেকে মার্গদর্শীর সঙ্গে যুক্ত থাকা এক অ্যাকাউন্ট হোল্ডার জানান, জীবনে বহু চিট ফান্ড দেখলেও মার্গদর্শীর মতো সৎ এবং দূরদর্শী প্রতিষ্ঠান তিনি দেখেননি। ছোট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে চাকরিজীবীরা যাঁরা নিজেদের উপার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখতে চান, তাঁদের জন্য মার্গদর্শীর স্কিমগুলি সবসময়ই অত্যন্ত লাভজনক প্রমাণিত হয়েছে। রামোজি রাও-এর প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেছেন উপস্থিত সকলেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *