এনএইচএআই টোল প্লাজায় কোটি কোটি টাকার প্রতারণা! কলকাতা সহ দেশের ১৪টি জায়গায় একযোগে হানা ইডি-র

ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (NHAI)-এর বিভিন্ন টোল প্লাজায় প্রতারণা করে টোল আদায়ের মানি লন্ডারিং মামলায় বড়সড় পদক্ষেপ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বুধবার উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, জম্মু, মধ্যপ্রদেশ, এনসিআর এবং কলকাতা সহ বিভিন্ন রাজ্যের মোট ১৪টি স্থানে একযোগে তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA)-এর আওতায় এই অভিযান চালানো হয়েছে।

সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে ইডির লখনউ জোনাল অফিস এই তল্লাশি শুরু করে। যার মধ্যে কলকাতার শেক্সপিয়র সরণি এলাকার একটি আবাসনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সেখানে থাকা কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও আর্থিক লেনদেনের বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। চলতি বছরের শুরুতে দায়ের হওয়া এফআইআর এবং ইসিআইআর-এর ভিত্তিতেই এই তদন্ত এগোচ্ছে।

তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকারি হিসাবের বাইরে জাল রসিদ তৈরি এবং অবৈধভাবে টোল আদায় করে সেই টাকা সরিয়ে ফেলতে একটি বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করা হতো। ফরেনসিক পরীক্ষা এবং এনএইচএআই-এর নথিপত্র ঘেঁটে এই কারচুপির প্রমাণ মিলেছে। ডিজিটাল প্রমাণ উদ্ধার ও এই দুর্নীতির সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করতেই এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এদিকে, একটি পৃথক মামলায় অক্ষতা মিনারেলস প্রাইভেট লিমিটেড এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে ইডির বেঙ্গালুরু জোনাল অফিস। ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে ভুয়া নথির সাহায্যে প্রায় ৬ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে ওই সংস্থার বিরুদ্ধে। সেই মামলায় ৩.৩১ কোটি টাকা মূল্যের মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট বা অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। জালিয়াতির সেই টাকা বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করে বাড়ানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে ইডি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *