জন্মাষ্টমীতে করুন এই সহজ জ্যোতিষ টোটকা! কৃপা বর্ষণ করবেন স্বয়ং গোপাল, উপচে পড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

আর মাত্র কদিন পরেই দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব জন্মাষ্টমী। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। তাই এই তিথি হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। দিনটিতে ঘরে ঘরে গোপালের পুজো ও উৎসবের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। জ্যোতিষবিদদের মতে, এই পবিত্র দিনে শ্রীকৃষ্ণকে তুষ্ট করার জন্য কিছু বিশেষ নিয়ম বা টোটকা মেনে চললে ঘরে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
জন্মাষ্টমীতে কোন কোন নিয়ম মানবেন?
-
ভোগ ও উপবাস: জন্মাষ্টমীর দিন সকাল থেকে উপবাস রেখে সন্ধ্যাবেলায় গোপালের পুজো করার বিধান রয়েছে। পুজো শেষে গোপালকে কেশর মিশিয়ে ক্ষীর বা মিষ্টির ভোগ নিবেদন করুন। এই দিন বাড়িতে সম্পূর্ণ নিরামিষ আহার গ্রহণ করা উচিত।
-
বিশেষ অভিষেক: বাড়িতে গোপালের ছোট দোলনা থাকলে তাঁকে অবশ্যই দোলনায় বসান। কাঁচা দুধের সঙ্গে গোলাপ বা পদ্মের পাপড়, গোলাপ জল, সাদা চন্দন এবং সামান্য কর্পূর মিশিয়ে গোপালের অভিষেক করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এছাড়া গোপালের সারা গায়ে ঘি বা মাখুন মাখিয়ে রূপোর পাত্র বা দক্ষিণাবর্ত শঙ্খে কাঁচা দুধ ও গঙ্গাজল মিশিয়ে স্নান করাতে পারেন।
-
টাকা রাখার জায়গায় বিশেষ টোটকা: জন্মাষ্টমীর দিন গোপালের হাতে একটি ছোট রূপোর বাঁশি দিন এবং পুজোর পর সেই বাঁশিটি আপনার টাকা রাখার জায়গায় (তিजोरी বা আলমারি) রেখে দিন। এতে আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি পায়।
-
ময়ূরের পালক ও তুলসী: পুজোর সময় গোপালের কাছে ময়ূরের পালক রাখা এবং তাঁকে তুলসীর মালা পরানো অত্যন্ত ফলদায়ক। এর পাশাপাশি, জন্মাষ্টমীর দিন সাধ্যমতো কিছু শিশুকে খাবার খাওয়ালে শ্রীকৃষ্ণের বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করা সম্ভব।