ইসলামিক NATO-য় কি যোগ দিচ্ছে ঢাকা? জল্পনার মধ্যেই বড় ঘোষণা বাংলাদেশের!

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রস্তাবিত ‘মক্কা ডিল’ বা ইসলামিক ন্যাটোয় বাংলাদেশ যুক্ত হলে কোনো ঝুঁকি দেখছে না ঢাকা। এই জোটে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেলে তা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ মন্ত্রক। গত রবিবার ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লা জাফর বিন আবিয়াহর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই অবস্থান স্পষ্ট করেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
সম্প্রতি জেদ্দা সফরে গিয়ে সৌদি বিদেশমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন হুমায়ুন কবির। ওই বৈঠকে মক্কা চুক্তি নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এর আগে দেশটির সংসদে বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান বিষয়টিকে ‘মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। বর্তমান জটিল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে ভারসাম্য বজায় রেখেই ঢাকা পররাষ্ট্র নীতি নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছে।
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় আল-সাফা প্রাসাদে এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক। ‘মক্কা আল-মুকাররমা’ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই জোটে ঢাকার সম্ভাব্য যোগদান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে ইতিমধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক মহলেও। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন প্রতিটি বিষণ্ণতার ওপর গভীর নজর রাখা হচ্ছে।