চিপস বা বিস্কুটে এ কী বড় লাল সতর্কতা! প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কেন্দ্র

প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি, লবণ কিংবা স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকলে এবার সেই পণ্যের প্যাকেটের গায়ে স্পষ্ট ওয়ার্নিং লেবেল বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া বা FSSAI। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা জমা দিয়ে এই অভিনব প্রস্তাব পেশ করেছে কেন্দ্রীয় এই সংস্থা। প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, উজ্জ্বল লাল রঙের ষড়ভুজাকৃতি একটি প্রতীক প্যাকেটের গায়ে এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হবে, যাতে অতিরিক্ত ফ্যাট, সুগার বা নুনযুক্ত পণ্য ক্রেতারা খুব সহজেই চিনতে পারেন।

ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা এবং তাঁদের পুষ্টিকর ও সঠিক খাদ্য নির্বাচন করতে সাহায্য করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। কিছুদিন আগেই বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ প্যাকেটজাত খাবারের মান ও সুরক্ষা নিয়ে FSSAI এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছিল। আদালতের সেই তিরস্কারের পরেই এই কঠোর ও জনস্বার্থবাহী পদক্ষেপটি সামনে এল।

প্রস্তাব অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যগুলিতে স্পষ্ট এবং বড় হরফে ‘‘HIGH SUGAR’’, ‘‘HIGH SALT’’ অথবা ‘‘HIGH FAT’’ কথাগুলি লেখা বাধ্যতামূলক করা হবে। এই সতর্কবার্তার ফন্টের আকার প্যাকেটের পিছনে থাকা চিরাচরিত পুষ্টিগুণ বা নিউট্রিশন টেবিলের ফন্টের চেয়ে অন্তত এক পয়েন্ট বড় রাখতে হবে, যাতে দোকানে বা মলের তাকে সাজানো পণ্যের ওপর ক্রেতার চোখ পড়লেই তা অবিলম্বে নজরে আসে।

তবে সব ধরনের পণ্যের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হচ্ছে না। ঘি, ভোজ্য তেল, নুন, চিনি, গুড় এবং মধুর মতো মৌলিক একক-উপাদানযুক্ত খাদ্যদ্রব্যগুলিকে এই সতর্কতামূলক লেবেল প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা থেকে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *