জন্মাষ্টমীতে কচুয়া ধাম যাচ্ছেন? পুজো দেওয়ার পাশাপাশি এক দিনের এই চমৎকার জায়গাগুলো ঘুরে আসতে ভুলবেন না!

জ্যৈষ্ঠ কিংবা জন্মাষ্টমী—বাবা লোকনাথের আশীর্বাদ নিতে কচুয়া ধামে পুণ্যার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লেগেই থাকে। আগামী ২, ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কচুয়া লোকনাথ ধামে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হতে চলেছে। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এখানে এসে পুজো ও দর্শন করেন। তবে শুধু পুজো দিয়ে বাড়ি ফিরে না গিয়ে, এই ট্রিপটাকে একটু অন্যরকম করে তুলতে পারেন আপনি! কারণ কচুয়া ধামের আশপাশেই ছড়িয়ে রয়েছে একাধিক ঐতিহাসিক ও মনোরম পর্যটনকেন্দ্র, যা এক দিনের ছোট্ট ট্যুরের জন্য একেবারে আদর্শ।

ইউরোপীয় ধাঁচের ধান্যকুড়িয়া জমিদারবাড়ি:

কচুয়া ধাম থেকে খুব বেশি দূরে নয়, ব্রিটিশ আমলের এক সমৃদ্ধ জনপদ ধান্যকুড়িয়া। একসময়ের পাটের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই অঞ্চলে গাইন শাহ ও বল্লভ জমিদার পরিবারের ঐতিহাসিক স্থাপত্য নজর কাড়বে যে কারও। প্রাসাদসম ব্রিটিশ ধাঁচের পুরোনো বাড়ি এবং দৃষ্টিনন্দন বাগানবাড়ি এখানকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

বেণীমাধবের জন্মভিটে ও অন্যান্য দর্শনীয় স্থান:

বাবা লোকনাথের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাঁর বাল্যবন্ধু বেণীমাধব বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভিটে রয়েছে এই এলাকাতেই। ফলে আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া পেতে এই স্থানটি ঘুরে দেখা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এছাড়া পরিবার নিয়ে কিছুটা শান্তিতে সময় কাটানোর জন্য রয়েছে ‘শান্তিধাম উদ্যান পার্ক’। একটু এগোলেই দেখা মিলবে প্রাচীন ‘দ্বাদশ কালী মন্দির’-এর, যা ঘেরাও করে রয়েছে বহু পুরনো ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগ।

তাই এ বারের জন্মাষ্টমীতে কচুয়া লোকনাথ ধামে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি হাতে একটু সময় রেখে ঘুরে আসুন ধান্যকুড়িয়ার জমিদারবাড়ি, বেণীমাধবের ভিটে এবং প্রাচীন কালী মন্দির। পুণ্যস্নানের সঙ্গে ইতিহাস ও প্রকৃতির মেলবন্ধনে আপনার এই এক দিনের ছোট ছুটি হয়ে উঠতে পারে দারুণ এক অভিজ্ঞতা!

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *