“সাধারণ সর্দি-কাশি ভেবে ভুল করছেন না তো?” শরীরে এই লক্ষণ দেখা দিলেই হতে পারে মারাত্মক সোয়াইন ফ্লু!

বর্ষা বা ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে সর্দি-কাশি, জ্বর কিংবা গলা ব্যথা খুবই সাধারণ ঘটনা। কিন্তু এই পরিচিত উপসর্গগুলিই অনেক সময় ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো মারাত্মক সংক্রমণের ইঙ্গিত হতে পারে। যা বর্তমানে সোয়াইন ফ্লু বা H1N1 নামেই বেশি পরিচিত। সাধারণ ফ্লুর সঙ্গে এর উপসর্গগুলোর অনেকাংশে মিল থাকায় অনেকেই তা বুঝতে পারেন না, যা ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ।
সোয়াইন ফ্লু-র প্রধান লক্ষণগুলি কী কী?
-
হঠাৎ জ্বর ও কাঁপুনি: সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হলে অনেক সময় আচমকা জ্বর আসে এবং সঙ্গে কাঁপুনি বা শরীর গরম লাগতে পারে। তবে সকলের ক্ষেত্রে জ্বর না-ও থাকতে পারে।
-
তীব্র কাশি ও গলা ব্যথা: শুকনো বা কষ্টদায়ক কাশি, গলা খুসখুস করা এবং গলা ব্যথা এর অন্যতম লক্ষণ। পাশাপাশি নাক দিয়ে জল পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
-
শরীর ও পেশিতে যন্ত্রণা: সাধারণ সর্দি-কাশির তুলনায় সোয়াইন ফ্লুতে সারা শরীরে ব্যথা, পেশিতে টান, তীব্র মাথাব্যথা এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি বা অবসাদ অনুভূত হয়।
-
বমি বা ডায়রিয়া: কেবল শ্বাসযন্ত্রের সমস্যাই নয়, কিছু ক্ষেত্রে বমি বা ডায়রিয়ার মতো লক্ষণও দেখা দিতে পারে। শিশুদের মধ্যে এই উপসর্গগুলি তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন? কোভিড-১৯ বা অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের সঙ্গে সোয়াইন ফ্লুর লক্ষণগুলির মিল থাকায় শুধুমাত্র উপসর্গ দেখে রোগ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট পরীক্ষা করানো জরুরি। বিশেষ করে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, চরম দুর্বলতা বা স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি হলে মুহূর্তও দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। শিশু, প্রবীণ, গর্ভবতী এবং যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ফ্লুর লক্ষণগুলিকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।