“নিজের দুটি স্তনের নাম রেখেছিলেন ‘শক’ এবং ‘অ’!” পপতারকা ডলি পার্টনের অজানা ও অদ্ভুত কাণ্ড জানলে চমকে যাবেন

কান্ট্রি মিউজিক জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ডলি পার্টন (Dolly Parton)। তাঁর সুরের জাদুতে দশকের পর দশক মেতেছিল গোটা বিশ্ব। কিন্তু শুধু গান বা ব্যবসাবুদ্ধিই নয়, নিজের শরীর ও উপস্থিতি নিয়ে আত্মঘাতী রসিকতা করার এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল তাঁর। নিজের রূপ ও মেদহীন ফিগারকে ঘিরে করা তাঁর খোলামেলা মন্তব্য আজও বিনোদন দুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে।

স্তনের অদ্ভুত নামকরণ ও বিজ্ঞানের রসিকতা: ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনার বহুল ব্যবহৃত কৌশল ‘শক অ্যান্ড অ’-এর সঙ্গে নিজের রূপের অদ্ভুত যোগসূত্র টেনেছিলেন ডলি। ২০০৮ সালে প্রকাশ্যে আসে যে, তিনি তাঁর স্তন যুগলের নাম রেখেছেন ‘শক’ এবং ‘অ’! এছাড়াও ভালোবেসে তিনি নিজের স্তনযুগলকে ‘দ্য গার্লস’, ‘পাপিজ’ বা ‘লিটল সোলজার্স’ বলেও ডাকতেন।

আর এই রসিকতার সূত্র ধরেই উঠে আসে বিজ্ঞানের দুনিয়ার এক ঐতিহাসিক ঘটনা। বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা স্তন্যপায়ী প্রাণী—ভেড়া ‘ডলি দ্য শিপ’-এর নামকরণ করা হয়েছিল তাঁর নামেই! কারণ, ক্লোনিং প্রক্রিয়াটি করা হয়েছিল একটি স্তনগ্রন্থি থেকে। বিজ্ঞানীদের সেই মজার রসিকতাকেও হাসিমুখে গ্রহণ করে সম্মানিত বোধ করেছিলেন এই গায়িকা।

আইকনিক লুক ও জীবনের গল্প: সোনার মতো ঝাঁকঝকড়ে চুল, জমকালো মেকআপ আর আঁটোসাঁটো পোশাকের আইকনিক লুক নিয়ে কখনও রাখঢাক করেননি ডলি। ছোটবেলার এক নারীর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি নিজের এই স্টাইল স্টেটমেন্ট গড়ে তুলেছিলেন। তবে নিজের বুদ্ধি ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে একবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘‘চুলের নীচে একটি মস্তিষ্ক এবং স্তনের নীচে কিন্তু একটি হৃদয় রয়েছে।’’

১৯৪৬ সালের ১৯ জানুয়ারি টেনেসির এক সাধারণ ঘরে জন্ম নেওয়া ডলি শৈশব থেকেই গান লেখা শুরু করেন। ছয় দশকের দীর্ঘ কেরিয়ারে কোটি কোটি শ্রোতার মন জয় করার পাশাপাশি তিনি নিজেকে এক সফল ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁর সৃষ্টির আলো এবং মুখের মিষ্টি রসিকতা যুগ যুগ ধরে অনুরাগীদের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *