পুরভোটে বড় চমক দিতে ময়দানে বিজেপি! কলকাতার কুর্সি দখল নিয়ে কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

আসন্ন কলকাতা ও হাওড়া পুরভোটকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে রাজনৈতিক প্রস্তুতি! দেড়শোটির বেশি আসন জয়ের হুংকার বিজেপির

চলতি বছরের শেষেই হতে পারে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার নির্বাচন। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক পুরবোর্ডের দায়িত্বে প্রশাসকরা থাকলেও, এবার ভোটের দামামা বেজে যাওয়ায় ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। বিশেষ করে এই পুরভোট পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ কমিটি তৈরি করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। কলকাতার পুরভোট পরিচালনার দায়িত্বে রাখা হয়েছে প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে এবং হাওড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যসভা সাংসদ রাহুল সিনহাকে।

কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার? পুরভোটের প্রস্তুতি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুর চড়িয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, দল আরও অনেক কমিটি গঠন করবে এবং পালাবদলের পর বিজেপি এখন পুরনিগম জয় নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে। তাঁর দাবি, ১৭০-১৮০টি ওয়ার্ডে গেরুয়া শিবির যথেষ্ট এগিয়ে রয়েছে। শরিকি আলোচনা প্রসঙ্গে তাঁর সাফ কথা, রাজ্যে ভালো ফল করার সুবাদে কলকাতার ওয়ার্ডগুলোতেও তারা এগিয়ে আছেন, তাই দেড়শোর বেশি আসন পাওয়ার ব্যাপারে তাঁরা আশাবাদী।

ওয়ার্ড বৃদ্ধি ও বুথ বিন্যাস নিয়ে বিতর্ক: উল্লেখ্য, চলতি বছরেই আইনি সংশোধনের মাধ্যমে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভায় ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪৪ থেকে বেড়ে হয়েছে ২০৯টি এবং হাওড়ায় ৫০টি থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৮টি। দুই পুরসভা মিলিয়ে মোট ৮৩টি ওয়ার্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি কলকাতা পুরসভায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে একটি সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ১৫-১৮ হাজার ভোটার পিছু একটি করে নতুন বুথ তৈরি করা হবে। তবে এসআইআর (SIR) বা ভোটার তালিকা সংশোধনের জেরে বহু নাম বাদ পড়া ও নতুন নাম তোলার প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছে বিরোধী শিবির। নাম সংযোজন ও বিয়োজনের এই জটিল পরিস্থিতিতে ভোটার বিন্যাস শেষ পর্যন্ত ঠিক থাকে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *