বর্ষা নামলেই ঘরে ঘরে বাড়ে মশার উপদ্রব! ডেঙ্গি ও চিকুনগুনিয়া এড়াতে এখনই জেনে নিন ঘরোয়া ও কার্যকরী প্রতিকারগুলি।

বর্ষাকাল মানেই যেমন স্বস্তির আমেজ, তেমনই অন্যদিকে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া বা চিকুনগুনিয়ার মতো মারাত্মক রোগের বাহক মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়া। সন্ধ্যা নামলেই ঘরের আনাচে-কানাচে মশার ভনভনানি এবং একের পর এক কামড় কেবল বিরক্তির কারণই নয়, বরং স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাই মশা ঘরে প্রবেশের পর তাড়ানোর পরিবর্তে আগে থেকেই ঘরের পরিবেশ এমনভাবে সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন যাতে মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মশার উপদ্রব থেকে দূরে থাকতে সবচেয়ে আগে বাড়ির কোথাও জল জমতে দেওয়া যাবে না। ফুলের টবের নিচ, বালতি বা পুরনো পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। এছাড়া জানলা-দরজার কাছে গাঁদা, লেমনগ্রাস, তুলসী বা পুদিনার মতো ভেষজ গাছ রাখলে প্রাকৃতিক গন্ধে মশা দূরে থাকে। পাশাপাশি, সাবান জলের ফাঁদ তৈরি করা, লেবুতে লবঙ্গ গুঁজে ঘরের কোণায় রাখা কিংবা ঘরে ফ্যান চালিয়ে রাখার মতো সহজ কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চললে মশার উপদ্রব অনেকটাই কমানো সম্ভব। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলি প্রাথমিক সুরক্ষায় সাহায্য করলেও অতিরিক্ত উপদ্রব দেখা দিলে বা জ্বর ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভূত হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
সংবাদের মূল হাইলাইটস
জমা জল রোধ: মশার বংশবিস্তার রোধ করতে বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখা এবং ফুলের টব বা বালতিতে জল জমতে না দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রাকৃতিক উপায়: জানলার কাছে তুলসী, লেমনগ্রাস বা গাঁদা গাছ রাখা এবং লেবুতে লবঙ্গ গুঁজে রাখার মতো ভেষজ উপায়ে মশা দূরে রাখা যায়।
সাবান জলের ফাঁদ: পাত্রে জল ও ডিশওয়াশ লিকুইড মিশিয়ে তৈরি ফাঁদের সাহায্যে খুব সহজেই মশার উপদ্রব কমানো সম্ভব।
সতর্কতা ও চিকিৎসা: প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলি প্রাথমিক সুরক্ষার জন্য উপযোগী হলেও, ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়ার মতো উপসর্গে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।