শ্রাবণের শেষ সোমবারে প্যারিসের বুকে হঠাৎ এমন কী ঘটল, যা দেখে চোখের জল আটকে রাখতে পারলেন না অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা?

কাজের ব্যস্ততা থেকে দূরে প্যারিস সফরে গিয়ে এক অপূর্ব ও অপ্রত্যাশিত আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা। শ্রাবণ মাসের একেবারে শেষ সোমবারে পরিকল্পনা না করেই প্যারিসের একটি সুন্দর ভারতীয় মন্দিরে পৌঁছে যাওয়ার ঘটনাটিকে তিনি এক ‘দৈব’ মুহূর্ত বলে অভিহিত করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করতেই তা মুহূর্তের মধ্যে অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।
ইনস্টাগ্রামে মন্দিরের ছবি শেয়ার করে প্রীতি জানান, শেষ মুহূর্তে নেওয়া এই মন্দির দর্শনের সিদ্ধান্ত তাঁকে সম্পূর্ণ অভিভূত করে দিয়েছে। তাঁর মনে হয়েছে, যেন নিখিল বিশ্বের ইশারায় ঠিক এই জায়গাতেই তাঁর আসার কথা ছিল। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের লীলা বোঝা যে বড় দায়, তা উল্লেখ করে তিনি প্যারিস সফরকে অত্যন্ত মধুর ও স্মরণীয় করে তোলার জন্য তাঁর বান্ধবী শৈলজা স্বামীকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি, প্যারিসে গেলে অনুরাগীদেরও কানাপতি মন্দিরটি ঘুরে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। প্রসঙ্গত, ব্যক্তিগত জীবনের এই সুন্দর মুহূর্তের পাশাপাশি তাঁকে খুব শীঘ্রই রাজকুমার সন্তোষীর পরিচালনায় এবং আমির খান প্রোডাকশনসের ব্যানারে তৈরি দেশভাগের প্রেক্ষাপটের ছবি ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’-এ সানি দেওল ও শাবানা আজমির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে।
সংবাদের মূল হাইলাইটস
অপ্রত্যাশিত মন্দির দর্শন: প্যারিস সফরে গিয়ে শ্রাবণের শেষ সোমবারে পরিকল্পনা ছাড়াই কানাপতি মন্দিরে পুজো দেন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা।
আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা: এই ঘটনাটিকে একটি ‘দৈব’ মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের লীলা ও অদ্ভুত সংযোগের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।
বিশেষ ধন্যবাদ: প্যারিসের এই স্মরণীয় অভিজ্ঞতার জন্য নিজের বান্ধবী শৈলজা স্বামীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
কাজের জগৎ: ব্যক্তিগত জীবনের এই খবরের পাশাপাশি খুব শীঘ্রই তাঁকে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে।