সরকারের ১০০ দিন পার হতেই কোন বিস্ফোরক আল্টিমেটাম দিল কংগ্রেস? রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে হঠাৎ কেন বাড়ল উত্তাপ?

রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, মূল্যবৃদ্ধি এবং একাধিক জনমুখী প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আক্রমণের পথ বেছে নিল কংগ্রেস শিবির। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একগুচ্ছ ইস্যুকে সামনে রেখে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং আগামী ১৫ দিনের একটি স্পষ্ট আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের নেতৃত্বে আয়োজিত এই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিধানসভাভিত্তিক জনগণনা সম্পন্ন না করে হঠকারিতা করে নেওয়া সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা ডিমারকেশনের সিদ্ধান্ত। কংগ্রেসের অভিযোগ, এর খেসারত শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকেই দিতে হবে। পাশাপাশি, শিক্ষাঙ্গনে দলীয়করণ এবং কলেজগুলির পরিচালনা সমিতির মাথায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বসানোর তীব্র সমালোচনা করে সেখানে শিক্ষাবিদদের ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এদিন ব্লাড প্রেসারের মতো বেড়ে চলা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারদর, অন্নপূর্ণা যোজনার বাস্তবায়নে অস্বচ্ছতা ও স্বজনপোষণের অভিযোগ এবং বন্যা ত্রাণ বন্টনেও দলীয় বৈষম্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সোচ্চার হয় বিরোধী দল। সমস্ত এই ত্রুটি সংশোধন এবং জনস্বার্থের দাবিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না করলে বৃহত্তর গণআন্দোলনে নামার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।
সংবাদের মূল হাইলাইটস
১৫ দিনের আল্টিমেটাম: মূল্যবৃদ্ধি, সীমানা পুনর্নির্ধারণ ও অন্নপূর্ণা যোজনা সহ একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে ১৫ দিনের চরম সময়সীমা বেঁধে দিল কংগ্রেস।
শিক্ষাঙ্গনে হস্তক্ষেপ: কলেজগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের বদলে শিক্ষাবিদদের যুক্ত করার এবং প্রশাসনিক কাজে দলীয় প্রভাব কমানোর জোরালো দাবি।
বাজারদর ও ত্রাণে দুর্নীতি: নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দাম এবং বন্যা ত্রাণ বন্টনে স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে প্রদেশ নেতৃত্ব।
বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি না বদলালে বৃহত্তর রাজনৈতিক আন্দোলনে রাজপথে নামার হুঙ্কার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির।