চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে ৪ গোল দিয়ে লাল-হলুদের রূপকথার জয়! হ্যাটট্রিকের রোমাঞ্চে ভাসল গোটা ইস্টবেঙ্গল শিবির

রবিবারের বহুল প্রতীক্ষিত ডুরান্ড কাপের ডার্বি ম্যাচে মোহনবাগানকে দাঁড়াতেই দেয়নি ইস্টবেঙ্গল। দাপুটে ফুটবল খেলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ৪-১ গোলে পরাজিত করে লাল-হলুদ বাহিনী। এই ঐতিহাসিক জয়ের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন এডমুন্ড লালরিনডিকা, যিনি একাই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে চুরমার করে দেন। মাঠে তাঁর নিখুঁত পাসিং এবং আক্রমণাত্মক মানসিকতা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। এর আগে আইএসএলের ডার্বিতেও তিনি গোল করেছিলেন, তবে সেই ম্যাচ ড্র হয়েছিল। কিন্তু রবিবারের ডুরান্ড ডার্বিতে তাঁর গোলের ঝড় মোহনবাগানকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়।
পুরনো কীর্তির পুনরাবৃত্তি
ডুরান্ড ডার্বির এই হ্যাটট্রিক এডমুন্ডের কেরিয়ারের প্রথম নয়। এর আগেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে এমন দুর্দান্ত সাফল্যের নজির গড়েছেন তিনি। অতীতে গোয়ার বাম্বোলিমের অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে সিঙ্গাপুর অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিরুদ্ধে ভারতের ৭-২ গোলের জয়ে জোড়া হ্যাটট্রিকের অন্যতম নায়ক ছিলেন এই এডমুন্ডই। সেই ম্যাচে তাঁর সঙ্গে নাওরেম রোশন সিংও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন। প্রথমার্ধেই পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে যেভাবে ভারত ম্যাচ জিতেছিল, সেই পুরনো স্মৃতিই যেন ডার্বির বড় মঞ্চে ফের একবার পুনরুজ্জীবিত করলেন তিনি।
সমর্থকদের উন্মাদনা ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা
এই জয়ের পর স্বভাবতই লাল-হলুদ শিবিরে খুশির হাওয়া বইছে। পুরোনো সেই আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিকের স্মৃতি এবং বর্তমান ডার্বির দুরন্ত ছন্দ—সব মিলিয়ে এডমুন্ডকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের প্রত্যাশা এখন আকাশছোঁয়া। ডার্বির এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তাঁকে আগামী দিনে ভারতীয় ফুটবলের আরও বড় মঞ্চে নিয়ে যাবে বলেই বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের।
ঘটনার প্রধান তথ্যসমূহ (Key Highlights):
বিশাল জয়: ডুরান্ড কাপের ডার্বি ম্যাচে মোহনবাগানকে ১-৪ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল।
ম্যাচের নায়ক: লাল-হলুদের এই জয়ের বড় নেপথ্য কারিগর ছিলেন ফরোয়ার্ড এডমুন্ড লালরিনডিকা, যিনি ম্যাচে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেন।
পুরনো স্মৃতি: ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি এর আগে অনূর্ধ্ব-১৯ আন্তর্জাতিক স্তরে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধেও হ্যাটট্রিক করার গৌরব রয়েছে তাঁর।
সমর্থকদের উল্লাস: এডমুন্ডের এই চোখধাঁধানো পারফরম্যান্সে ডার্বির মেজাজ ফিরে পেয়ে উৎসবে মেতেছে লাল-হলুদ শিবির।