অন্নপূর্ণার ৩০০০ টাকা নিয়ে বাংলার ঘরে ঘরে ‘গৃহযুদ্ধ’! শাশুড়ি-বউমার অশান্তি চরমে, কারণ জানলে চমকে উঠবেন

অন্নপূর্ণার ৩০০০ টাকা নিয়ে শাশুড়ি-বউমার সংঘাত, ঘরে ঘরে গৃহযুদ্ধ!

রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’-র ৩০০০ টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢোকা শুরু হতেই বাংলার বহু পরিবারে শুরু হয়েছে নতুন অশান্তি। রান্নাবান্না থেকে সংসারের যাবতীয় কাজ একসঙ্গে সামলানো বা একসঙ্গে সিরিয়াল দেখা যে পরিবারগুলিতে নিত্যদিনের ছবি, সেখানেও এখন প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই আর্থিক সহায়তা। একই পরিবারের একাধিক মহিলা আবেদন করলেও কারও অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, আবার কারও আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’ বা প্রক্রিয়াধীন থাকায় তা আটকে রয়েছে—আর এই নিয়েই তৈরি হয়েছে শাশুড়ি-বউমার জমজমাট সংঘাত!

খবরের মূল বিষয়বস্তু:

  • টাকা আসায় অমিল ফল: উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত, হাবড়া, দেগঙ্গা, বসিরহাট থেকে শুরু করে দত্তপুকুর ও অশোকনগর—সব জায়গাতেই একই ছবি ধরা পড়েছে। অনেক পরিবারে বউমার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকলেও শাশুড়ির আবেদন আটকে রয়েছে, আবার কোথাও এর উলটো ঘটনাও ঘটছে।

  • পরিবারে মনকষাকষি: একই বাড়ি থেকে দু’জনে ফর্ম পূরণ করা সত্ত্বেও ফলাফলে এই ফারাক থাকার কারণে ছোটখাটো অশান্তি এখন বড় আকার ধারণ করছে। ক্ষোভ মেটাতে মহিলারা সটান ব্লক অফিসে ছুটছেন এবং সরকারি আধিকারিকদের মুখোমুখি হচ্ছেন।

  • প্রশাসনের বক্তব্য ও সাফাই: এই নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক কর্তারাও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। প্রশাসনের সাফাই, ‘প্রক্রিয়াধীন’ বা ‘আন্ডার প্রসেস’ থাকা মানেই আবেদন বাতিল নয়। নথি ও তথ্য যাচাইয়ের কাজ শেষ হলেই যোগ্য প্রার্থীরা টাকা পেয়ে যাবেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: হাসিমুখে এক প্রশাসনিক কর্তা এই পরিস্থিতিকে ‘অন্নপূর্ণা গৃহযুদ্ধ’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে দ্রুত সমস্ত ত্রুটি সংশোধন করে যোগ্য মহিলাদের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *