নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ থেকে এক ছাদের নিচে! বিগবস বাংলার ঘরে মুখোমুখি সায়ক ও স্যান্ডি?

‘নির্যাতনের সময় পুরুষাঙ্গ ছিঁড়ে যায়’—সায়ক চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ঠিক এই ধরনেরই গুরুতর ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছিলেন আর এক পরিচিত ইনফ্লুয়েন্সার স্যান্ডি সাহা। এই বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অতীতে সোশ্যাল মিডিয়ার পাতা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল, যা নিয়ে তুমুল চর্চা চলেছিল নেটপাড়ায়। তবে সমস্ত জল্পনা ও তিক্ততাকে পিছনে ফেলে এবার এক অদ্ভুত মোড় আসতে চলেছে। খোদ এই দুই চর্চিত ইনফ্লুয়েন্সারকে একসঙ্গে দেখা যেতে চলেছে রিয়েলিটি শো ‘বিগবস বাংলা’-র ঘরে। আগামী ৩১ অগাস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে চলেছে এই জনপ্রিয় শোয়ের সম্প্রচার।
টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির একাংশের মতে, জাতীয় বা আঞ্চলিক স্তরের ‘বিগবস’-এর ট্রেন্ড অনুযায়ী সাধারণত এমন বিতর্কিত মুখগুলিকেই এই হাউজে আমন্ত্রণ জানানো হয়, যাঁদের নিয়ে সর্বদাই চর্চা ও সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। সেই হিসেবে সায়ক ও স্যান্ডি—উভয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক মাত্রায় আলোচিত এবং তাঁদের ফ্যান ফলোয়ার্সও ঈর্ষণীয়। ফলে এই দুই প্রতিদ্বন্দীকে এক ছাদের নিচে দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন অনুরাগীরা।
তবে এই শোয়ে যোগ দেওয়া নিয়ে রয়েছে বড়সড় প্রশ্নচিহ্নও। নিয়ম অনুযায়ী, বিগবস হাউজে প্রবেশ করলে প্রতিযোগীদের টানা তিন মাস বাইরের দুনিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতে হয়। কিন্তু ইনফ্লুয়েন্সারদের ক্ষেত্রে নিয়মিত আপডেট না দিলে মেটার অ্যালগরিদমের কারণে ভিউজ ও রিচ কমে যাওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। আর তার ফলে তাঁদের কেরিয়ারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই এত লম্বা সময় ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার মতো বড় ঝুঁকি তাঁরা নেবেন কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জল্পনা।
অন্যদিকে, এই মেগা রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চে সঞ্চালক হিসেবে থাকছেন খোদ ক্রিকেটসম্রাট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। শোয়ের আকর্ষণ বাড়াতে এবং জনপ্রিয়তা তুঙ্গে রাখতে এই দুই ইনফ্লুয়েন্সার সত্যিই বিগবসের ঘরে পা রাখছেন কি না এবং এর ফলে তাঁরা শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, তা জানতে নজর রাখতে হবে আগামী ৩১ অগাস্টের মহাপ্রচারের দিকে।