‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্যের পর উত্তাল রাজনীতি!, প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ CJP -র

স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর করা ‘দিমাগি নকশাল’ মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। সশস্ত্র মাওবাদ শেষের পথে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী যে মানসিকতার মানুষদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করার বার্তা দিয়েছিলেন, তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস (CJP)-এর সৌরভ দাস। সরকারের সমালোচনা করলেই তরুণদের এমন তকমা দেওয়া কেন হবে, সেই প্রশ্ন তুলে গোটা মন্ত্রিসভার ইস্তফা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন তিনি।

লালকেল্লার মন্তব্য ও রাজনৈতিক বিতর্ক গত ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান যে সশস্ত্র নকশালবাদ প্রায় শেষের মুখে এলেও ‘দিমাগি নকশাল’ বা নকশালপন্থী মানসিকতার মানুষেরা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং সুযোগ খুঁজছে। এই ধরনের মানসিকতাকে সমাজ থেকে আলাদা করার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় চর্চা। বিরোধীদের পাশাপাশি সরব হয়েছেন জেন Z নেতা সৌরভ দাসও। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, সরকারের ভুল নীতি বা ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেই শিক্ষিত তরুণদের গায়ে ‘নকশাল’ তকমা সেঁটে দেওয়া অত্যন্ত অযৌক্তিক। সরকারের নিজেদের অযোগ্যতার কারণেই আজ দেশের প্রতিবাদী যুবসমাজ প্রকাশ্যে নিজেদের অধিকারের কথা বলতে বাধ্য হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।

‘পুরনো ও অযোগ্য নেতৃত্বকে সরাবে মানুষ’ সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে সৌরভ লিখেছেন, তরুণ প্রজন্ম আর শুধু নীরব দর্শক হয়ে থাকতে নারাজ। শিক্ষা, চাকরি এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা সরাসরি মুখ খুলতে শুরু করেছে। তাঁর হুঁশিয়ারি, সময় বদলেছে এবং মানুষ এবার ‘পুরনো, দুর্নীতিগ্রস্ত ও অহঙ্কারী’ নেতৃত্বকে সরিয়ে দিতে প্রস্তুত। যুবসমাজের এই জাগরণকে থামানো যাবে না বলেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *