মরা গাছের বেদীতে অলৌকিক শ্রীকৃষ্ণের পায়ের ছাপ? বিষ্ণুপুরে ভক্তদের ঢল, রহস্যে ঘেরা বিষ্ণুপুরের এই মন্দির

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর শহরে কয়েক’শ বছরের প্রাচীন একটি বকুল গাছ সম্প্রতি মারা যায়। তারপর থেকেই গাছটিকে ঘিরে থাকা বাঁধানো বেদীটি শূন্য পড়ে ছিল। কিন্তু আজ সকালে সেই শূন্য বেদীতে লাল চন্দনের পায়ের ছাপ দেখে এলাকার মানুষজন হতবাক হয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিষ্ণুপুর শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের মাধবগঞ্জ এলাকায় রাধা মদন গোপাল জিউয়ের মন্দির সংলগ্ন এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও মন্দিরে নাম সংকীর্তন করতে যান ভক্তরা। তাঁরা দেখতে পান, শূন্য ওই বেদীতে বেশ কয়েক জায়গায় লাল চন্দনের পায়ের ছাপ। বিষয়টি জানাজানি হতেই দলে দলে লোকজন ভিড় জমাতে শুরু করেন। পায়ের ছাপগুলি স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের—এই বিশ্বাসে ভর করে সকাল থেকে বেদীকে ঘিরে উপচে পড়ে উৎসাহী জনতার ভিড়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, গভীর রাতে ওই বকুল গাছের তলায় শ্রীকৃষ্ণ সখীদের নিয়ে লীলা করতেন। তাই লাল চন্দনের পায়ের ছাপ দেখে তাঁদের সেই বিশ্বাস আরও জোরদার হয়েছে।
মিলে যাচ্ছে পায়ের ছাপ!
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পায়ের ছাপগুলি মিলিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ভক্তিতে গদগদ হয়ে তাঁরা নতজানু হয়ে প্রণাম করছেন, কেউ আবার বেদীর ধুলো গায়ে মাখছেন। তবে পায়ের ছাপ আদতে কার, তা এখনও অস্পষ্ট। যদিও স্থানীয় মানুষের কাছে এর উত্তর হল ‘ঈশ্বর’! এদিকে বিষ্ণুপুর শহরে এই ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এসে ভিড় জমাচ্ছেন ঘটনাস্থলে।