বয়স পঞ্চাশ পেরোলেও মনটা সেই ক্লাস এইট! প্রেমের নিখাদ সংজ্ঞা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন অপরাজিতা আঢ্য

প্রেম কখন কীভাবে জীবনে কড়া নাড়ে, তা বলা সত্যি দায়! কখনো সে আসে চুপিচুপি, আবার কখনো বা ঢাকঢোল পিটিয়ে। প্রেমের এই নানা রূপ, বিয়ের নির্মম বাস্তব এবং বয়স বাড়লেও মানুষের মনের চিরকালীন তরুণ সত্ত্বা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক দারুণ মিষ্টি ও মজার কবিতা শেয়ার করলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।
স্কুলের খাতার গোপনে নাম লেখা থেকে শুরু করে বিয়ের বাজারের দীর্ঘ ফর্দ—জীবনের বিভিন্ন ধাপে প্রেমের এই রূপ বদলকে অত্যন্ত সুন্দর ছন্দে ফুটিয়ে তুলেছেন অভিনেত্রী, যা ইতিমধ্যেই নেটপাড়ায় ঝড় তুলেছে।
স্কুলের গোলাপ থেকে বিয়ের বাজারের ফর্দ
অপরাজিতার শেয়ার করা কবিতাটিতে শৈশব ও কৈশোরের প্রেমের মধুর স্মৃতি যেমন উঠে এসেছে, তেমনই রয়েছে প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের একরাশ বাস্তববোধ। খাতার পেছনে লুকিয়ে প্রিয় মানুষের নাম লেখা কিংবা গোলাপ আঁকা দিয়েই তো প্রেমের প্রথম অধ্যায় শুরু হয়। এরপর কলেজের ক্যানটিনে বসে শুধুই ‘তুমি আর আমি’-র মিষ্টি প্রতিশ্রুতি।
তবে অভিনেত্রীর মতে, বিয়ের পরের প্রেম একেবারেই খাঁটি ও সত্যবাদী! সেখানে কাল্পনিক ভালোবাসার গোলাপকে একপাশে সরিয়ে রেখে হাতে সোজা চলে আসে লম্বা বাজারের ফর্দ। মোহ ভেঙে তখন সরাসরি বাস্তব জগতের সঙ্গে পরিচয় ঘটে।
বয়স পঞ্চাশ, কিন্তু মনটা সেই ‘ক্লাস এইট’!
বয়স বাড়লেও প্রেমের টান যে বিন্দুমাত্র কমে না, অপরাজিতার লেখায় উঠে এসেছে সেই চিরন্তন ও সুন্দর সত্যটি। হাঁটুতে ব্যথা কিংবা চোখে চশমা নামলেও, পঞ্চাশ বা পঁচাশ বছর বয়সে পৌঁছেও ফোনের স্ক্রিনে একটা ছোট্ট ‘হাই’ ভেসে এলেই বুক ধড়ফড় করে ওঠে, মুখে ফুটে ওঠে চেনা লাজুক হাসি। মনটা নিমেষেই ফিরে যায় সেই স্কুলের ‘ক্লাস এইট’-এর দিনগুলোয়। কারণ, প্রেম তো আর বয়সের হিসাব-নিকাশ মেনে আসে না, তার কাজই তো মনে মিষ্টি এক ‘সর্বনাশ’ ডেকে আনা!
নেটিজেনদের ভালোবাসার জোয়ার
অভিনেত্রীর এই চমৎকার ও বাস্তবসম্মত কবিতাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। জীবনের এই খাঁটি সত্যগুলোকে এত সহজে এবং রসময় ভঙ্গিতে ছন্দে বাঁধার জন্য টলি তারকাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন তাঁর অনুরাগী ও সাধারণ নেটিজেনরা। কমেন্ট বক্সে উপচে পড়েছে ভালোবাসার নানা বার্তা।