ফেলে দেবেন না ঝিঙের খোসা! কম উপকরণেই মাত্র ১০ মিনিটে বানিয়ে ফেলুন জিভে জল আনা সুস্বাদু ভর্তা

বর্ষার মরশুমে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি আর জ্বর লেগেই রয়েছে। আর এই ঠান্ডা লাগা বা ভাইরাল জ্বরের জেরে মুখে পুরোপুরি অরুচি ধরে যায়। কিছু খেলেই তিতকুটে বা পানসে লাগার সমস্যায় ভোগেন ছোট থেকে বড় সবাই। মুখের এই স্বাদ ফেরাতে এবং পাতে একটু মুখরোচক কিছু রাখতে চাইলে আজই বানিয়ে ফেলতে পারেন দারুণ সুস্বাদু ঝিঙে খোসার ভর্তা। ওপার বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় এই পদটি কম সময়ে ও সামান্য উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলা যায়। জেনে নিন এর সহজ রেসিপিটি।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:
বড় সাইজের ২-৩টি ঝিঙের খোসা

রসুন কোয়া ৫-৬টি

বড় মাপের পেঁয়াজ কুচানো ১টি

কালো জিরে ১ চা চামচ

শুকনো লঙ্কা ২টি (ফোড়নের জন্য)

কাঁচা লঙ্কা ৩-৪টি (ঝাল অনুযায়ী)

নুন ও সামান্য চিনি (স্বাদমতো)

সর্ষের তেল (রান্নার জন্য)

রান্নার সহজ প্রণালী (Recipe):
১. সেদ্ধ ও বাটা: প্রথমে ঝিঙেগুলির খোসা ভালো করে ছাড়িয়ে পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর সামান্য জল দিয়ে ঝিঙের খোসাগুলি ভালো করে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ করা ঝিঙের খোসা, রসুনের কোয়া এবং কাঁচা লঙ্কা একসঙ্গে মিক্সিতে দিয়ে একটি মিহি পেস্ট বা বাটা তৈরি করে রাখুন।

২. ফোড়ন ও ভাজা: এবার কড়াইতে পরিমাণমতো সর্ষের তেল গরম করে তাতে কালো জিরে ও শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। ফোড়ন থেকে সুন্দর গন্ধ বের হলে তাতে কুচিয়ে রাখা পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন।

৩. ভর্তা তৈরি: পেঁয়াজ হালকা বাদামি রঙের হয়ে এলে কড়াইতে তৈরি করে রাখা ঝিঙে খোসার পেস্টটি ঢেলে দিন। এরপর স্বাদমতো নুন এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। খেয়াল রাখবেন যাতে কড়াইয়ের তলায় লেগে না যায়।

৪. পরিবেশন: অনবরত নাড়তে নাড়তে যখন দেখবেন খোসা বাটা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করেছে এবং মিশ্রণটি একদম ঝুরঝুরে ও শুকনো হয়ে এসেছে, তখন গ্যাস বন্ধ করে কড়াই থেকে নামিয়ে নিন। ব্যস, তৈরি আপনার দারুণ সুস্বাদু ঝিঙে খোসার ভর্তা! এবার ভাপ্পা গরম ভাতের সঙ্গে এটি পরিবেশন করুন এবং পরিবারের সবার মুখের স্বাদ ফিরিয়ে দিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *