শ্মশান অবধি দৌড়চ্ছে পুলিশ! দুর্নীতির এমন ভয়ঙ্কর রূপ আগে দেখেছেন কি?

দুর্নীতির ভূত আজ এমন এক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে, অপরাধীদের নাগাল পেতে পুলিশকে এবার শ্মশান পর্যন্ত দৌড়তে হচ্ছে। বলাই বাহুল্য, এই ধরনের দুর্নীতি জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত মারাত্মক। ফলে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দুধের দুধ ও জলের জল আলাদা করা এখন প্রশাসনের প্রথম এবং প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সমস্যার সমাধান হিসেবে যে মডেল বা ব্যবস্থা বেছে নেওয়া হচ্ছে, তা কি আদৌ শতভাগ ত্রুটিহীন?

একজন জনপ্রতিনিধি, যিনি সরাসরি মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসেন, তিনি যদি অর্থের বিনিময়ে বা দলীয় স্বার্থে সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই ধরনের জালিয়াতি করতে পারেন, তবে কীসের গ্যারান্টি রয়েছে যে একজন সরকারি কর্মচারী অর্থের লোভ বা ওপরওয়ালার চাপে পড়ে একই অপরাধ করবেন না? রাজনীতিকরা যেমন অবাধে চুরি করেন, তেমনই সরকারি কর্মচারীরাও তো আর স্বর্গ থেকে নেমে আসেন না! কেবল সাক্ষরকারীর বদল ঘটল বা ক্ষমতার হাতবদল হলো—কিন্তু এর মাধ্যমে দুর্নীতির চাষাবাদ চিরতরে বন্ধ হবে কী উপায়ে? চুরি শুধু রাজনীতিকরাই একা করেন না, বহু আমলাও যে এতে সমানভাবে লিপ্ত—বিমলদা কি শেষ পর্যন্ত এই সত্যটা মানবেন?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *