শহরের কোলাহল থেকে দূরে উত্তরবঙ্গের এই অফবিট জায়গায় মিলেছে নতুন প্রাণ! জানেন কি এই জাদুকরী জায়গার নাম?

আপনিও কি একজন প্রকৃতিপ্রেমী? কিন্তু বর্তমানে উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে শহরের কোলাহল ছেড়ে একটু শান্তিতে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করা কি কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে? যদি পাহাড়ি ও গ্রাম্য পরিবেশ একেবারে নিস্তব্ধতায় উপভোগ করতে চান, তবে আপনার পরবর্তী গন্তব্য হতেই পারে উত্তরবঙ্গের শান্ত ও সুন্দর পাপরখোতি (Papar Kheti)। এখানে পৌঁছলে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়বে না; বরং শহরের একঘেয়ে জীবন থেকে দূরে গিয়ে মনকে পুরোপুরি বিশ্রাম দিতে এই জায়গাটি একেবারে আদর্শ।
বর্ষায় রূপ বদলায় পাপরখোতি
বর্ষাকালে উত্তরবঙ্গের এই অফবিট জায়গাটি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। পাহাড়ের গায়ে ভেসে বেড়ায় তুলোর মতো মেঘ, আর সবুজ জঙ্গল ভেদ করে চোখ জুড়িয়ে যায় চারপাশের গাড় সবুজের আবরণে। বিশেষ করে বর্ষার সময় এখানকার পাহাড়ি নদীগুলো হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।
পাপরখোতি মূলত একটি চমৎকার পিকনিক স্পট হিসেবেও বেশ পরিচিত। ভেতরে প্রবেশের জন্য নির্দিষ্ট এন্ট্রি ফি দিতে হয়। আর একবার ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখের সামনে ধরা দেয় পাথরে ভরা কলকল শব্দে বয়ে চলা পাহাড়ি নদী, চারপাশে সুবজ বনের সমারোহ আর দূরের নীলচে পাহাড়ের হাতছানি।
কীভাবে যাবেন?
শিলিগুড়ি থেকে পাপরখোতি পৌঁছনোর মূলত দু’টি রাস্তা রয়েছে—একটি সেবক হয়ে, অন্যটি গজলডোবা হয়ে। সেবক হয়ে গেলে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। সবচেয়ে সহজে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে পৌঁছাতে শিলিগুড়ি থেকে রিজ়ার্ভ গাড়ি ভাড়া করেই এই পথটুকু পার করা যায়।
শহরের ক্লান্তি ঝেয়ে ফেলে এই বর্ষায় প্রকৃতির কোলে কয়েকটা দিন শান্তিতে কাটাতে ঘুরে আসতেই পারেন উত্তরবঙ্গের এই পাহাড়ি স্বর্গরাজ্য থেকে।