রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় উপহার! কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং সপ্তম পে কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর

ভোটে জয়ী হলে রাজ্য সরকারের কর্মীদের কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ্য ভাতা (DA) দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি বিরোধী দলনেতা তথা বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা শুভেন্দু অধিকারী দিয়েছিলেন, এবার তা বাস্তবায়নের পথেই এগোচ্ছে প্রশাসন। সম্প্রতি সরকারি কর্মীদের ডিএ এবং বেতন কাঠামো নিয়ে বড় ধরনের ঘোষণা করলেন তিনি। একদিকে যেমন কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র ব্যবধান ধাপে ধাপে কমানোর কথা বলা হয়েছে, তেমনই ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের মধ্যেই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) চালুর সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।
অক্টোবরেই ২০% বর্ধিত ডিএ ও বকেয়া মেটানোর ঘোষণা
শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, অতীতে ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হয়েছিল। এবার ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাকি থাকা ডিএ-ও মিটিয়ে দেওয়া হবে। সামনেই পুজো, সেই কথা মাথায় রেখে চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই অগ্রিম বেতন দেওয়া হবে, এবং সেইসঙ্গেই বাজেটে ঘোষিত ২০% মহার্ঘ্য ভাতা হাতে পাবেন কর্মীরা। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলা ডিএ আন্দোলনের মুখে দাঁড়িয়ে বড় স্বস্তি পেলেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা।
সপ্তম বেতন কমিশন চালুর প্রস্তুতি
শুধু বকেয়া ডিএ মেটানোই নয়, একইসঙ্গে রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে। বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের প্রাথমিক কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই মর্মে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ্যে এসেছে। কমিশনের ‘টার্মস অফ রেফারেন্স’ (Terms of Reference) চূড়ান্ত হলেই পরবর্তী ধাপের কাজ শুরু হবে।
শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই (অর্থাৎ আগামী মার্চের মধ্যে) সপ্তম বেতন কমিশন চালুর জন্য জোরালো চেষ্টা চলছে। সব কিছু ঠিকঠাক এগোলে আগামী মার্চের মধ্যেই এই কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হতে পারে, যা কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবিকে পূর্ণতা দেবে। বর্তমানে কর্মীরা ৩৮% হারে ডিএ পেলেও, আগামী দিনে ধাপে ধাপে কেন্দ্রের সঙ্গে এই ব্যবধান আরও কমানো হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।