“তাঁর জায়গা কেউ নিতে পারবে না!” ধর্মেন্দ্রকে হারিয়ে এখনও গভীর সংকটে হেমা মালিনীর পরিবার

রুপোলি পর্দার ‘হিম্যান’ ধর্মেন্দ্র গত ২৫ নভেম্বর ২০২৫ সালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রায় আট মাস পেরিয়ে গেলেও কিংবদন্তী এই অভিনেতাকে হারানোর কষ্ট এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন তাঁর পরিবার। সম্প্রতি এক আবেগঘন সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী জানালেন, স্বামী ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণ কতটা ভেঙে দিয়েছে তাঁর দুই মেয়ে এশা দেওল ও অহনা দেওলকে।
স্মৃতির আয়নায় প্রিয় জীবনসঙ্গী
স্বামীকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হেমা মালিনী বলেন, “এই বিষয়ে কথা বলা আমার জন্য আজও অত্যন্ত কষ্টের। তবে আমি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ যে তিনি আমাকে এমন একজন চমৎকার জীবনসঙ্গী দিয়েছিলেন। তাঁর জায়গা কেউ নিতে পারবে না।” হেমা মালিনী স্মরণ করেন কীভাবে ধর্মেন্দ্র সবসময় তাঁর শক্তির স্তম্ভ হয়ে পাশে ছিলেন। বিয়ের পরেও ক্যারিয়ার ও নাচের প্রতি হেমা মালিনীর আগ্রহে সবসময় সমর্থন জুগিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তিনি বলতেন, “তুমি একজন শিল্পী, তোমার উন্নতি থামিয়ে দিও না।”
মেয়েরা সামলে উঠতে পারছেন না
ধর্মেন্দ্র সন্তানদের খুব ভালোবাসতেন, আর সেই প্রিয় বাবাকে হারিয়েই এখন মানসিকভাবে বিধ্বস্ত এশা ও অহনা। হেমা মালিনী আক্ষেপ করে বলেন, “বাবার অনুপস্থিতিতে দুই মেয়েকে মনমরা দেখলে আমার নিজের কষ্ট আরও বেড়ে যায়। এই শূন্যতা কোনোদিন পূরণ হওয়ার নয়।” এশা ও অহনা তাদের গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন সময়ে হেমা মালিনীকে চিঠি বা ভয়েস মেসেজ পাঠান, যা এক মায়ের কাছে একইসঙ্গে গর্বের ও যন্ত্রণার।
এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী জুটি
পর্দায় ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর কেমিস্ট্রি ছিল চিরস্মরণীয়। ‘শোলে’, ‘সীতা অউর গীতা’, ‘ড্রিম গার্ল’-এর মতো ব্লকবাস্টার ছবিতে তাঁদের রসায়ন আজও দর্শকদের কাছে অম্লান। ব্যক্তিগত জীবনেও তাঁদের সেই বন্ডিং ছিল অটুট, যা এখন কেবলই স্মৃতি।
হেমা মালিনীর কথায়: “তিনি আমাদের পরিবারের শক্তির স্তম্ভ ছিলেন। আজ তাঁর স্মৃতিই আমাদের বেঁচে থাকার পাথেয়।”