বিমানবন্দর মসজিদে নমাজ নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক! সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর হুঙ্কার, “১ কোটি মুসলিম নিয়ে পৌঁছাব বাঁকড়ায়”

কলকাতার ১৩৬ বছরের পুরনো বিমানবন্দর সংলগ্ন মসজিদে প্রবেশাধিকার স্থগিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই ইস্যুতে সরাসরি সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে বড়সড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
কী বললেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী?
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বাংলায় ৪ কোটি মুসলিম বসবাস করেন। সরকার যদি বিমানবন্দরের প্রাচীন মসজিদে আমাদের নমাজ পড়তে বাধা দেয়, তবে আমি ১ কোটি মুসলিমকে সঙ্গে নিয়ে বাঁকড়া মসজিদে নমাজ পড়তে যাব।” তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এটিকে সরকারের প্রতি একটি সরাসরি ‘চ্যালেঞ্জ’ হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিতর্কের সূত্রপাত:
দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদে নমাজ পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ১৩৬ বছরের পুরনো এই ধর্মীয় স্থানে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় ক্ষুব্ধ মানুষজন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর এই হুঁশিয়ারি সেই ক্ষোভকেই যেন আরও উসকে দিল।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই ধর্মীয় রীতির ওপর আচমকা বিধিনিষেধ আরোপ কেন করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী যেভাবে সংখ্যার কথা উল্লেখ করে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন, তাতে আগামী দিনে এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বড় ধরণের বিক্ষোভ কর্মসূচির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে এই মসজিদ বিতর্ক প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক—উভয় দিক থেকেই বড় আকার নিতে চলেছে।