নাইট শিফটে সরকারি কর্মীরা? বেসরকারি সংস্থার মতো এবার চব্বিশ ঘণ্টা পরিষেবা রাজ্যে?

রাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক গতি আনতে রেস্তোরাঁ, শপিং মল থেকে শুরু করে সমস্ত পরিষেবা রাতে খুলে রাখার জল্পনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এবার সরকারি অফিসও বেসরকারি সংস্থার ধাঁচে রাতে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়েছে। এই খবর কতটা সত্যি, তা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে চর্চা।
কী দাবি করা হচ্ছে?
বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে যে, রাজ্যে মানি ফ্লো বা অর্থের প্রবাহ বাড়াতে শপিং মল ও রেস্তোরাঁগুলিকে রাতভর খোলা রাখার অনুমতি দেওয়ার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। যেহেতু রাতে এই পরিষেবাগুলি খোলা থাকবে, তাই পরিবহণ ব্যবস্থাও সচল রাখতে বাস ও অটো পরিষেবাও রাতভর চালু থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। এর ফলে নাইট শিফটে কর্মরত সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সমস্যা মিটবে বলেই দাবি করা হচ্ছে।
সরকারি কর্মীদের কি নাইট শিফট?
ভাইরাল হওয়া তথ্যের দাবি অনুযায়ী, সরকারি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে এবার থেকে সরকারি অফিসগুলোতেও নাকি ২ শিফটে কাজ শুরু হতে পারে। অর্থাৎ, সকালের পাশাপাশি রাতের শিফটেও সরকারি কর্মীদের ডিউটি করতে হতে পারে। দাবি করা হচ্ছে, যাতে কোনো সরকারি কাজই ঝুলে না থাকে, তার জন্যই এই অভিনব পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।
সত্যিটা কী?
এশিয়ানেট নিউজ বাংলার তরফ থেকে বিষয়টি যাচাই করে দেখা গেছে যে, এই তথ্যের সত্যতা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
অফিসিয়াল সিলমোহর নেই: রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের কোনো সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
নোটিশের অভাব: এই সংক্রান্ত কোনো সরকারি নির্দেশিকা বা গ্যাজেট নোটিফিকেশন এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি।
সুতরাং, সরকারি অফিস রাতে খোলা রাখার এই খবরটি বর্তমানে কেবলই একটি সোশ্যাল মিডিয়া জল্পনা বলে মনে করা হচ্ছে। কোনো নির্ভরযোগ্য প্রশাসনিক সূত্র থেকে এই তথ্যের কোনো ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায়নি। পাঠকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, সরকারি কোনো ঘোষণা ছাড়া এই ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য।