স্কুলের আগেই হাতে ইউনিফর্ম! বড় নির্দেশিকা স্কুল শিক্ষা দফতরের, কড়া সময়সীমা বেঁধে তৎপরতা

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের হাতে ইউনিফর্ম তুলে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর। ২০২৬ সালের ‘স্কুল ইউনিফর্ম প্রজেক্ট’-এর কাজ ত্বরান্বিত করতে সব জেলার স্কুল পরিদর্শকদের (DI) জন্য কড়া সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে এই প্রকল্পের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৮ জুলাইয়ের মধ্যে চূড়ান্ত নির্দেশিকা
শিক্ষা দফতরের নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ইউনিফর্ম প্রকল্পের ‘ফাইনাল ওয়ার্ক অর্ডার’ ১৮ জুলাইয়ের মধ্যেই সম্পূর্ণ করতে হবে। এই ওয়ার্ক অর্ডার রাজ্যের ‘বাংলার শিক্ষা’ পোর্টালে আপলোড করা বাধ্যতামূলক। দফতর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যতক্ষণ না চূড়ান্ত ওয়ার্ক অর্ডার আপলোড হচ্ছে, ততক্ষণ পোর্টালে পড়ুয়াদের ইউনিফর্মের মাপ বা ‘মেজারমেন্ট এন্ট্রি’ করার সুযোগ মিলবে না। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়াটি শেষ করা জরুরি।
২০২৭ সালের জন্যও আগাম প্রস্তুতি
শুধুমাত্র ২০২৬ নয়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ইউনিফর্ম পরিকল্পনার কাজও শুরু করে দিয়েছে রাজ্য। শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী:
২০২২ সালের আগে প্রতিটি স্কুলে কী রঙের এবং কী ধরনের ইউনিফর্ম ছিল, সেই তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আগামী শিক্ষাবর্ষে কোন স্কুলে কতটুকু এবং কী রঙের কাপড়ের প্রয়োজন, তার জেলাভিত্তিক সমীক্ষা করতে হবে।
প্রতিবেদনে নজরদারি
শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলার আওতাধীন সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ের তথ্য শুধু সংগ্রহ করলেই হবে না, তা যথাযথভাবে যাচাইও করতে হবে। যাচাই প্রক্রিয়ার পর একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা রিপোর্ট শিক্ষা দফতরে জমা দিতে হবে। আগে এই কাজের জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা থাকলেও, এবার ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে সমীক্ষা, যাচাই ও রিপোর্ট জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা দফতরের আশা, এই প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সময়মতো সম্পন্ন হলে ২০২৬ সালের ইউনিফর্ম বিতরণ যেমন দ্রুত হবে, তেমনি ২০২৭ সালের ইউনিফর্ম বন্টন প্রক্রিয়াও অনেক বেশি সুসংহত হবে।