ফুটবল বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পথে ফিফা! ৬৪ দেশের আসর নিয়ে বড় আপডেট

২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মাটিতে ৪৮ দেশের অংশগ্রহণে ফুটবলের মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। তবে বর্তমান আসর শেষ হওয়ার আগেই ফুটবল বিশ্বের পরবর্তী বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বিশ্বকাপের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে ২০৩০ সালের আসরকে আরও বিশাল ও রোমাঞ্চকর করে তোলার পরিকল্পনা করছে ফিফা। জানা গেছে, পরবর্তী আসরে দলের সংখ্যা ৪৮ থেকে বাড়িয়ে ৬৪ করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
কেন এই বড় পরিকল্পনা? ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো সুইস গণমাধ্যম ‘ব্লুউইন’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেছেন, ফুটবল কেবল নির্দিষ্ট কয়েকটি মহাদেশের সম্পত্তি নয়। তিনি বলেন, “প্রতিটি দেশেরই বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখার অধিকার রয়েছে। ছোট দেশগুলোকে সুযোগ না দিলে তারা ফুটবলের উন্নতির অনুপ্রেরণা পাবে না।” বর্তমান ৪৮ দলের ফরম্যাটকে সফল দাবি করে তিনি জানান, টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরেই প্রস্তাবিত এই নতুন ফরম্যাট নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।
কারা এই উদ্যোগের নেপথ্যে? বিশ্বকাপের এই বিশাল সম্প্রসারণের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কনমেবল)-এর। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে উরুগুয়ের ফুটবল কর্মকর্তা ইগনাসিও আলোনসো প্রথম এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কনমেবল প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রো ডোমিনগুয়েজ এটিকে নিজের ‘স্বপ্ন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০৩০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচগুলো যেহেতু উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, তাই দলের সংখ্যা ৬৪ হলে এই দেশগুলো পুরো গ্রুপের ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ পাবে। এতে আয়োজক দেশগুলোর পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ফুটবলের জনপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আরও বহুগুণ বেড়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।