Maldah Horror: বারুইপুরের মতো মালদাতেও চাই ‘এনকাউন্টার’! ১১ বছরের শিশুকন্যা খুনের বিচার চেয়ে সরব পরিবার

বারুইপুরের চাঞ্চল্যকর এনকাউন্টার কাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই বিচার চেয়ে ফের সরব মালদার নির্যাতিতার পরিবার। ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি ইংরেজবাজারের বালুরচর এলাকায় ১১ বছরের এক কিশোরীকে মুণ্ডুচ্ছেদ করে খুনের অভিযোগে আজও বিচার পায়নি মৃতার পরিবার। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তদের সাজা না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে মালদাজুড়ে।
বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দুয়ারে পরিবার:
বারুইপুর এনকাউন্টারের খবর পাওয়ার পর মালদার মৃতার বাবা মনোজ কেশরী নতুন করে আশার আলো দেখছেন। তিনি বারুইপুরের ঘটনায় সাধুবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তার মেয়ের দোষীদেরও কঠোরতম শাস্তির আবেদন জানিয়েছেন। মনোজবাবু জানান, “পারিবারিক বিবাদের জেরে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে অত্যাচার করেছিল প্রতিবেশী যুবক সনু কেশরী। সেই ক্ষত আজও দগদগে, কিন্তু বিচারের অপেক্ষায় দিন গুনছি আমরা।”
কী ঘটেছিল সেইদিন?
অভিযোগ, ওইদিন স্থানীয় প্রতিবেশী যুবকদের একটি দল নাবালিকাকে অপহরণ করে এবং পরবর্তীতে তার মুণ্ডুচ্ছেদ করে নৃশংসভাবে খুন করে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরই এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় গ্রামবাসীরা। পরবর্তীতে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে। তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বললেও, ঘটনার আড়াই বছর পার হতে চললেও মূল অভিযুক্তদের চূড়ান্ত সাজা না পাওয়া নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা।
নাবালিকার ওপর নতুন করে হামলা:
শুধু পুরনো ঘটনা নয়, সম্প্রতি ইংরেজবাজার থানা এলাকায় আরও এক নাবালিকা ধর্ষণের শিকার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সোমবারই গ্রামবাসীরা অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করেন। বারবার এমন অমানবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্বের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের পারদ তুঙ্গে।
বারুইপুরের ঘটনা প্রমাণ করেছে যে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, মালদার এই অসহায় পরিবার দীর্ঘ লড়াইয়ের পর কবে ন্যায়বিচার পায়।