বিপর্যয় মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ! রাজ্যে তৈরি হচ্ছে নতুন NDRF বাহিনী, তোপ দিলীপ ঘোষের

রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বড়সড় উদ্যোগ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শুক্রবার মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ ঘোষণা করেন যে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্যোগে ২০০ জনের একটি বিশেষ রিজার্ভ NDRF বাহিনী তৈরি করা হচ্ছে।
আগের সরকারকে তীব্র আক্রমণ: বিপর্যয় মোকাবিলার বর্তমান প্রস্তুতির কথা তুলে ধরতে গিয়ে প্রাক্তন তৃণমূল সরকারকেই দুষেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে আগের সরকার একটিও নিজস্ব NDRF টিম তৈরি করেনি। আমরা ক্ষমতায় আসার পর এই খামতিগুলো পূরণ করছি।” মন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, আগে প্রতিবার ঘূর্ণিঝড়ের পর রাজ্যকে ওড়িশা থেকে সাহায্য আসার জন্য তাকিয়ে থাকতে হতো। কিন্তু এখন থেকে সুন্দরবন, কলকাতা এবং উপকূলবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এই বিশেষ বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
তারাতলা কাণ্ডে কড়া বার্তা: গত বুধবার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে পড়ার মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট জানিয়েছেন, এখানে রাজনীতির চেয়ে শাস্তির গুরুত্ব বেশি। এই ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত বড়। যেই দায়ী হোক না কেন, পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে সে শাস্তি পাবে।”
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন যে, ভেঙে পড়া বহুতলটির অনুমোদিত প্ল্যানে তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সই ছিল। এই নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেও বিতর্ক দানা বেঁধেছে। কুণাল ঘোষের মতো নেতারা এই ইস্যুতে পালটা দাবি করেছেন যে, কেবলমাত্র চার-পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করলেই হবে না, বরং ওপর মহলের কর্তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।
তবে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, তৃণমূলের সঙ্গে অহেতুক রাজনৈতিক ঝগড়ায় না জড়িয়ে সরকার আপাতত তদন্ত এবং দোষীদের চিহ্নিত করার দিকেই নজর দিচ্ছে।