OMG! বিয়ের দাবিতে সরকারের কাছে চিঠি, প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিল যুবকদের

বিয়ের বয়স হয়ে গেছে, অথচ যোগ্য পাত্রীর দেখা নেই! এলাকায় মেয়ের সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে। নারী-পুরুষের অনুপাতের পার্থক্য দাঁড়িয়েছে বিশাল। তাই পাত্রী খুঁজে দেওয়ার দাবিতে শেষপর্যন্ত রাজপথে নেমেছেন একদল অবিবাহিত যুবক। সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে জানা যায়, গত বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাজ্যের সোলাপুরে বিয়ে করতে ইচ্ছুক একদল পুরুষ একত্রিত হয়ে একটি দল গঠন করেন। দলের নাম দেওয়া হয় ‘ব্রাইডগ্রুম মোর্চা’ বা ‘পাত্রের দল’।
পরে তারা একটি মিছিল করেন। এরপর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে নিজেদের দাবি উল্লেখিত একটি চিঠি জমা দেন।
মূলত, সন্তান জন্মের আগে গর্ভস্থ ভ্রুণ ছেলে নাকি মেয়ে তা জেনে ফেলার বিরুদ্ধে আইনের সাহায্যে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন যুবকরা। বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজে দেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে সরকারের কাছে।
এদিন বিয়ের পোশাক পরে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন অনেকে।
ये बारात नहीं प्रदर्शन है…जी हां, महाराष्ट्र के सोलापुर में शादी के लिए लड़की नहीं मिली तो डीएम ऑफिस के बाहर युवाओं ने किया प्रदर्शन, दूल्हे की तरह सज निकाली बारात#Maharashtra #ViralVideo #Protest pic.twitter.com/bDIPucE4Cw
— Zee News (@ZeeNews) December 22, 2022
এ আয়োজনের উদ্যোক্তা রমেশ বরস্কর বলেন, ‘মানুষ আমাদের নিয়ে ঠাট্টা করতে পারে। কিন্তু কঠিন বাস্তবতা হলো, বিয়েযোগ্য পুরুষরা পাত্রী খুঁজে পাচ্ছেন না। কারণ এখানে নারী-পুরুষের অনুপাত ঠিক নেই।’
তার দাবি, মহারাষ্ট্রে প্রতি এক হাজার পুরুষের বিপরীতে নারীর সংখ্যা মাত্র ৮৮৯ জন। এই ভারসাম্যহীনতার জন্য সরকারের ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছেন তিনি। অভিযোগ, জন্মের আগেই অনেক কন্যাভ্রুণ হত্যা করা হয়। সরকার এটি বন্ধ করতে পারেনি। সে কারণেই রাজ্যে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা কমে গেছে।
সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার পত্রিকা