অধিক মাস পূর্ণিমা ২০২৬! কাল ৩১শে মে স্নান ও দানের শুভক্ষণ, জেনে নিন তিথি ও সময়সূচি

হিন্দু ধর্মানুসারে ‘অধিক মাস পূর্ণিমা’ অত্যন্ত পবিত্র এবং তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। প্রতি তিন বছর অন্তর আসা এই তিথিতে গঙ্গা বা যেকোনো পবিত্র নদীতে স্নান, দান, পূজা ও মন্ত্র জপের গুরুত্ব সাধারণ পূর্ণিমার চেয়ে অনেক বেশি। ২০২৬ সালের এই বিশেষ পূর্ণিমার উপবাস ও স্নান-দানের সঠিক সময়সূচি নিয়ে ভক্তদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
উপবাস ও স্নান-দানের পার্থক্য:
পঞ্জিকা অনুযায়ী, আজ ৩০শে মে সকাল ১১:৫৭ মিনিটে পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়েছে। যেহেতু আজ রাতে চন্দ্রোদয়ের সময় পূর্ণিমা তিথি উপস্থিত থাকবে, তাই আজই উপবাস পালনের দিন। অন্যদিকে, শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী, যে দিনে সূর্যোদয়ের সময় পূর্ণিমা তিথি বিরাজ করে, সেই দিনেই স্নান ও দান সম্পন্ন করা উচিত। যেহেতু ৩১শে মে দুপুর ২:১৪ মিনিট পর্যন্ত পূর্ণিমা তিথি থাকবে, তাই আগামীকালেই স্নান ও দানের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
স্নান ও দানের শুভ মুহূর্ত (৩১শে মে, রবিবার):
শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, এই দিনটিতে দান-ধ্যানের মাধ্যমে জীবনে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। স্নান ও দানের জন্য নির্দিষ্ট সময়গুলো হলো:
ব্রহ্ম মুহূর্ত (সর্বোত্তম): ভোর ৪:০৩ মিনিট থেকে ভোর ৪:৪৩ মিনিট। এই সময়ে স্নান ও দান করা সবচেয়ে ফলপ্রসূ।
অমৃত কাল: ভোর ৪:৩৩ মিনিট থেকে সকাল ৬:২০ মিনিট পর্যন্ত।
অভিজিৎ মুহূর্ত: সকাল ১১:৫৭ মিনিট থেকে দুপুর ১২:৫১ মিনিট পর্যন্ত।
দান গ্রহণের নিয়ম:
স্নানের পর নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খাদ্যদ্রব্য, বস্ত্র, জল, পাখা বা ফল দান করা অত্যন্ত পুণ্যের কাজ বলে বিবেচিত হয়। এদিন নিয়ম মেনে উপবাস পালন এবং শাস্ত্রীয় আচার অনুষ্ঠান সম্পন্ন করলে মনে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়।