. হালদাওয়ানিতে পুলিশের মেগা অপারেশন! ড্রাগ ডিলারের ডেরায় হানা দিয়ে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ চরস, গ্রেপ্তার কুখ্যাত অপরাধী।

দিনে তিনি বাগানের যত্ন নেওয়া একজন সাধারণ মালি, কিন্তু রাতের অন্ধকার নামলেই বদলে যায় তার রূপ। শান্তশিষ্ট এই পরিচয়ের আড়ালে চলছিল চরসের রমরমা কারবার। তবে শেষরক্ষা হলো না। কাঠগোদাম পুলিশ এবং এসওজি (SOG) টিমের যৌথ অভিযানে ধরা পড়ল এই বড় মাদক পাচারকারী। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২ কেজি ১৪ গ্রাম অবৈধ চরস, যার বাজারমূল্য প্রায় দুই লক্ষ টাকা।

গোপন সূত্রে অভিযান ও পর্দাফাঁস

পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই দমুয়াদূঙ্গা এলাকায় মাদকের কালো কারবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। গোপন সূত্রে এই খবর পাওয়ার পর পুলিশের একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করে। জগন্নাথ কলোনির কাছে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে মাদক ভর্তি প্যাকেট। হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত ইন্দ্রজিৎ সিংকে।

পাহাড় থেকে সমতলে পাচারের ছক

তদন্তে জানা গেছে, ধৃত ইন্দ্রজিৎ কাঠগোদামের হরিপুর কর্নেল ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে পাহাড়ের বিভিন্ন জেলা থেকে সস্তায় এই চরস সংগ্রহ করে সমতলের শহরগুলোতে চড়া দামে বিক্রি করত। পুলিশের নজর এড়াতে সে একটি আম বাগানে মালির কাজ করত, যাতে কেউ তাকে সন্দেহ না করে। ধৃতের থেকে উদ্ধার হওয়া চরসের পরিমাণ এবং মান দেখে পুলিশ নিশ্চিত যে এর পিছনে একটি বড় চক্র কাজ করছে।

পুরনো অ

দিনে তিনি বাগানের যত্ন নেওয়া একজন সাধারণ মালি, কিন্তু রাতের অন্ধকার নামলেই বদলে যায় তার রূপ। শান্তশিষ্ট এই পরিচয়ের আড়ালে চলছিল চরসের রমরমা কারবার। তবে শেষরক্ষা হলো না। কাঠগোদাম পুলিশ এবং এসওজি (SOG) টিমের যৌথ অভিযানে ধরা পড়ল এই বড় মাদক পাচারকারী। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ২ কেজি ১৪ গ্রাম অবৈধ চরস, যার বাজারমূল্য প্রায় দুই লক্ষ টাকা।

গোপন সূত্রে অভিযান ও পর্দাফাঁস

পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই দমুয়াদূঙ্গা এলাকায় মাদকের কালো কারবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। গোপন সূত্রে এই খবর পাওয়ার পর পুলিশের একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করে। জগন্নাথ কলোনির কাছে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে মাদক ভর্তি প্যাকেট। হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত ইন্দ্রজিৎ সিংকে।

পাহাড় থেকে সমতলে পাচারের ছক

তদন্তে জানা গেছে, ধৃত ইন্দ্রজিৎ কাঠগোদামের হরিপুর কর্নেল ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে পাহাড়ের বিভিন্ন জেলা থেকে সস্তায় এই চরস সংগ্রহ করে সমতলের শহরগুলোতে চড়া দামে বিক্রি করত। পুলিশের নজর এড়াতে সে একটি আম বাগানে মালির কাজ করত, যাতে কেউ তাকে সন্দেহ না করে। ধৃতের থেকে উদ্ধার হওয়া চরসের পরিমাণ এবং মান দেখে পুলিশ নিশ্চিত যে এর পিছনে একটি বড় চক্র কাজ করছে।

পুরনো অপরাধী ও পরবর্তী পদক্ষেপ

হলদাওয়ানির পুলিশ সুপার মনোজ কুমার কাত্যাল এই সাফল্যের খবর নিশ্চিত করে জানান, ইন্দ্রজিতের বিরুদ্ধে আগেও এনডিপিএস (NDPS) অ্যাক্টে মামলা ছিল। ২০১০ সালেও সে একই অপরাধে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে, এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে সে এই মাদকের বড় খেপটি বিক্রির জন্য পেয়েছিল।

পুলিশ বর্তমানে সেই ‘পরিচিত’ ব্যক্তির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে এবং ধৃতের আর কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এনডিপিএস আইনের ধারা ৮/২০-এর অধীনে মামলা রুজু করে তাকে আদালতে পেশ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এই কঠোর অবস্থান এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

পরাধী ও পরবর্তী পদক্ষেপ

হলদাওয়ানির পুলিশ সুপার মনোজ কুমার কাত্যাল এই সাফল্যের খবর নিশ্চিত করে জানান, ইন্দ্রজিতের বিরুদ্ধে আগেও এনডিপিএস (NDPS) অ্যাক্টে মামলা ছিল। ২০১০ সালেও সে একই অপরাধে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে, এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে সে এই মাদকের বড় খেপটি বিক্রির জন্য পেয়েছিল।

পুলিশ বর্তমানে সেই ‘পরিচিত’ ব্যক্তির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে এবং ধৃতের আর কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এনডিপিএস আইনের ধারা ৮/২০-এর অধীনে মামলা রুজু করে তাকে আদালতে পেশ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এই কঠোর অবস্থান এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।