“বিজেপি ৫০ পেরোবে না!” মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিয়েই বড় ভবিষ্যদ্বাণী অভিষেকের, ৪ মে-র ডেডলাইন

দ্বিতীয় দফার ভোটের সকালে মিত্র ইনস্টিটিউশনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথ থেকে বেরোনোর পরই আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি দাবি করেন, ২০২৬-এর এই মহারণে তৃণমূল কংগ্রেস গতবারের চেয়েও বড় ব্যবধানে জিতে চতুর্থবার নবান্ন দখল করতে চলেছে।

বিজেপিকে ‘৫০’-এর চ্যালেঞ্জ
নির্বাচনী ফলাফলের প্রসঙ্গে অভিষেক এদিন সরাসরি অমিত শাহদের কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন:

“২০২১-এ ওরা বলেছিল ২০০ পার করবে, কিন্তু ৮০-ও পায়নি। এবার বলছে ১৭০, আমি বলছি বিজেপি এবার ৫০-এর গণ্ডিও পেরোতে পারবে না। তৃণমূল একাই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে।”

“মাথা উঁচু করে জবাব দিন”
বাংলার প্রতি বঞ্চনা এবং বাঙালিদের ‘রোহিঙ্গা’ বলা বা খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ব্যঙ্গ করার প্রসঙ্গ তুলে ধরে অভিষেক বাংলার মানুষের কাছে আবেগঘন আবেদন জানান। তাঁর কথায়, “যাঁরা বাংলাকে অপমান করেছে, বঞ্চনা করেছে, আজ ইভিএম-এর বোতাম টিপে তাঁদের যোগ্য জবাব দিন। ভয় পাবেন না, মাথা উঁচু করে নিজের অধিকার প্রয়োগ করুন।”

বাহিনী ও বিজেপি-র ‘ভয়’ নিয়ে তোপ
বালিতে ভোটারদের ওপর লাঠিচার্জ এবং বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘হয়রানি’র অভিযোগ নিয়ে সরব হন অভিষেক। বিজেপির ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন:

“রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে খোদ বিজেপি এবং তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বাহিনী।”

“এনআরসি আর বিজেপি-ই হলো আসল ভয়ের নাম, আর বাংলার মানুষের ভরসা শুধু দিদি।”

“৩৭ লক্ষ মানুষকে জোর করে ভোট দেওয়া থেকে আটকে দেওয়া হয়েছে। আতঙ্ক কারা ছড়াচ্ছে সেটা পরিষ্কার।”

বিলাসবহুল পার্টি অফিস বনাম ১৫ লক্ষের প্রতিশ্রুতি
বিজেপির ‘দ্বিচারিতা’ আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, “সাধারণ মানুষকে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ওরা, আর আজ অমিত শাহ-র দল ১৫০০ কোটি টাকার বিলাসবহুল পার্টি অফিস বানাচ্ছে। এরা মুখে এক বলে, আর কাজে সম্পূর্ণ উল্টো।”