“বিজেপিকে ৫০-এর নীচে নামাতে হবে!” -প্যাটিস বিক্রেতার হেনস্থা মনে করিয়ে চরম হুঁশিয়ারি অভিষেকের!

২০২৬-এর বঙ্গযুদ্ধে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে এবার বড় লক্ষ্য বেঁধে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সকালে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি সাফ জানালেন, পদ্মশিবিরকে কোনোভাবেই ৫০টি আসনের গণ্ডি পেরোতে দেওয়া যাবে না।
প্যাটিস বিক্রেতার প্রসঙ্গ টেনে আক্রমণ
এদিন ভোটদান শেষে অভিষেক মনে করিয়ে দেন গত বছরের ডিসেম্বরের এক বিতর্কিত ঘটনার কথা। গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে হকার ও প্যাটিস বিক্রেতাদের ওপর চড়াও হওয়ার যে অভিযোগ বিজেপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে উঠেছিল, তাকেই হাতিয়ার করেন তিনি। অভিষেকের কথায়:
“বিজেপিকে ৫০-এর নীচে আটকে দিতে হবে। নইলে প্যাটিস বিক্রেতাদের মতো সাধারণ মানুষকে আবার হেনস্থার শিকার হতে হবে। এই গুন্ডামি আমরা বরদাস্ত করব না।”
“বাংলার মানুষের সঙ্গে গদ্দারি করা হয়েছে”
নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে অভিষেক অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঢাল করে মহিলাদের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। তাঁর বিস্ফোরক দাবি:
-
বাংলার মানুষকে ‘রোহিঙ্গা’ বলে অপমান করা হয়েছে।
-
গরিব মানুষের ওপর আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।
-
কমিশন নিজের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কাজ করছে।
বিজেপির জন্য ১০০ বছরের ‘শিক্ষা’র হুমকি
৪ মে নির্বাচনী ফলাফলের দিন বিজেপি এমন জবাব পাবে যা তারা স্বপ্নেও ভাবেনি বলে দাবি করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তিনি বলেন, “যারা বাংলা দখল করার দিবাস্বপ্ন দেখছে, ৪ তারিখ তারা এমন শিক্ষা পাবে যে আগামী ১০০ বছরেও কেউ বাংলার মানুষের সাথে গদ্দারি করার সাহস পাবে না।”
বাংলার মানুষকে কোনো প্ররোচনায় পা না দিয়ে ‘মাথা উঁচু করে’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা। তাঁর মতে, প্রথম দফার মতোই দ্বিতীয় দফাতেও বিজেপির ‘দফারফা’ নিশ্চিত।